মেইন ম্যেনু

খানা-খন্দকে ভরা চরফ্যাশন-দক্ষিণ আইচা মহাসড়ক,বালু খোয়া দিয়ে ঢাকার চেষ্টা

ভোলার চরফ্যাশন-দক্ষিণ আইচা মহাসড়কের বেহাল অবস্থা।বৃষ্টি কমলেও উন্নতি হয়নি এ মহাসড়কটির। ২২ কিলোমিটার মহাসড়ক জুড়ে খানা-খন্দকের কারণে পথচারী ও যানবাহন চালকরা পড়ছে চরম দুর্ভোগে। প্রতিনিয়তই শুধু বালু আর খোয়া দিয়ে সড়কের খানা-খন্দক ঢাকার চেষ্টা করছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। এতে মহাসড়কে চলাচলকারীদের দুর্ভোগ কমার পরিবর্তে বেড়েই চলছে। বৃষ্টি কমলেও খানা খন্দের বালু উড়ছে মহাসড়ক জুড়ে আর খোয়া জমা হচ্ছে মহাসড়কের পাশে। সব মিলিয়ে নাকাল হয়ে পরেতে শুরু করছে চরফ্যাশন-দক্ষিণ আইচা মহাসড়কের অবস্থা।চরফ্যাশন-দক্ষিন আইচা মহাসড়কের শরীফ পাড়া ব্রীজ থেকে আদশ পাড়া পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার মহাসড়কের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। মহাসড়কের এমন অবস্থার কারণে প্রতিনিয়তই পথচারী ও যানবাহন চালকদের পড়তে হচ্ছে নানা সমস্যায়।এই সড়কটি দিয়ে চলাচলরত যাত্রীবাহি পরিবহনের চালকরা জানান, সড়কের খানা-খন্দগুলো শুধু খোয়া আর বালু দিয়ে ভরাটের চেষ্টা করছে সড়ক বিভাগ। এতে দুর্ভোগ কমার পরিবর্তে বেড়েই চলছে। বৃষ্টি কমার পর খানা খন্দের বালু সড়ক জুড়ে উড়ে পরিবেশ আরো নষ্ট করছে। যাত্রীবাহি বাস চালক মঞ্জুর হোসেন জানান, খানা-খন্দকে পরে প্রতিদিনই দূঘটনা ঘটছে।ট্রাক চালক বাবুল মিয়া বলেন, খানা খন্দে পরে নিয়মিতই গাড়ি বিকল হচ্ছে। সড়কে গাড়ি বিকল হলেও ফিটনেসের দোষ। সড়কের কারণে যে গাড়ি বিকল হচ্ছে এটি দেখার কেউ নেই। একদিকে মালিকের বকুনি অন্যদিকে পথচারী ও পুলিশের হয়রানী।মো. জাহাগীর হোসেন নামের এক যাত্রী বলেন, সড়ককে এমনভাবে সংস্কার করে কোন লাভ নেই। এটি সরকারের টাকা নষ্ট করার একটি পদ্ধতি।উল্লেখ্য, গত মে মাসের ৮ তারিখে শিল্প মন্ত্রী আলহাজ্ব তোফায়েল আহাম্মদ চরফ্যাশন আগমন করায় এই মহাসড়কটি দায়সারা ভাবে মেরামত করা হয়। যা অতিবৃষ্টিতে ধুয়ে মুছে গেছে।এবাবে সংস্কার করে মহাসড়কের অবস্থা উন্নতি করা যাবে না।চরফ্যাশন-দক্ষিণ আইচা মহাসড়কটিকে এভাবে সংস্কার করার পরিবর্তে নতুন করে করা হোক এটাই দাবী চরফ্যাশনের দক্ষিণ অঞ্চলবাসী।