মেইন ম্যেনু

খালেদার অনুপস্থিতিতে চেয়ারপারসন কে হবেন?

বিএনপির সিনিয়র নেতাদের কাছে প্রশ্ন রেখে গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুটির দুর্নীতি মামলায় যদি খালেদা জিয়ার সাত বছরের জেল হয় তাহলে কি বিএনপির রাজনীতি বন্ধ হয়ে যাবে? বেগম খালেদা জিয়ার জেল হওয়ার পর বিএনপির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব নেবেন?’

শনিবার বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় দলের নেতাদের কাছে এসব প্রশ্ন রাখেন।

তিনি আরো প্রশ্ন রাখেন, ‘খালেদা জিয়ার জেল হলে বিএনপির রাজনীতি বন্ধ হয়ে যাবে? এ বিষয়ে কি আপনারা আলোচনা করেছেন? আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হয়। তাই আলোচনা করতে সমস্যা নেই। কারণ, বিএনপির রাজনীতি বন্ধ হয়ে গেলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানও কবর থেকে খুশি হবেন না।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অষ্টম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভায় আয়োজন করা হয়। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জাফরুল্লাহ বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় বসলেই কেবল তারেক রহমান দেশে আসতে পারবেন। অন্যথায় নয়।’

বক্তব্যকালে তিনি বলেন, ‘আপনাদের আলোচনা সভায় এত কম মানুষ কেন? আপনারা সংগঠিতভাবে যদি খালেদা জিয়ার কারামুক্তি দিবসের আলোচনায় ৫ কোটি মানুষের সমাগম ঘটাতে না পারে তাহলে বিএনপির আত্মাহুতি দিয়েছে বললেও ভুল হবে না।’

দেশ বর্তমান কঠিন সময় পার করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এ অবস্থা থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। আর এর দায়িত্ব বিএনপিকেই বহন করতে হবে।’

আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ভিসি ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শাসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, যুব বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সানা উল্লাহ মিয়া, সহধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সহদপ্তর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, আসাদুল করিম শাহীন, মহিলা দলের সভাপতি নূরে আরা সাফা প্রমুখ।