মেইন ম্যেনু

খালেদার কেক না কাটার ব্যাখ্যা দিলেন ফখরুল

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবারের জন্মদিনে কেক না কাটার ব্যাখ্যা দিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বর্তমানে দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক যে প্রতিকূল অবস্থা, সর্বোপরি দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যার কারণে এবারের জন্মদিন পালন সমীচীন মনে করেননি খালেদা জিয়া।

সোমবার বিকালে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফখরুল এসব কথা বলেন। তবে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকীর সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসনের এই সিদ্ধান্তের কোনো সম্পর্ক আছে কি না সে বিষয়ে অবশ্য কিছু বলেননি ফখরুল।

নব্বই দশকের মাঝামাঝি থেকে খালেদা জিয়া ১৫ আগস্ট পালন শুরুর পর থেকেই এই নিয়ে বিতর্ক ওঠে। বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ অভিযোগ করতে থাকে জাতীয় শোক দিবসের ভাবগাম্ভীর্য নষ্ট করতেই খালেদা জিয়া এদিন জন্মদিন পালন করেন।

চলতি বছর ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন না করতে বিএনপিপন্থি বুদ্ধিজীবী ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকী পরামর্শ দিয়েছিলেন। এরপর ১৪ আগস্ট বিএনপির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয় প্রথম প্রহরে খালেদা জিয়া কেক কাটছেন না।

তবে বিকালে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি। কী উপলক্ষে এই মিলাদ মাহফিল তা জানানো হয়নি দলের পক্ষে। মিলাদে এ ব্যাপারে কোনো কথা না বললেও পরে সাংবাদিকরা ঘিরে ধরেন ফখরুলকে। তখন ফখরুল সাংবাদিকদের কাছে খালেদা জিয়ার এবার জন্মদিন পালন না করার কারণ ব্যাখ্যা করেন।

ফখরুল জানান, মিলাদ মাহফিলে তারা খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু, তারেক রহমানের সুস্থতা এবং আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করেছেন।

চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদের জন্য দোয়া করেছেন বলেও জানান বিএনপি মহাসচিব। তিনি জানান, এছাড়া বন্যার্তদের কষ্ট লাঘবেও বিশেষ দোয়া করা হয়েছে।

মিলাদ মাহফিলে বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, শামসুজ্জামান দুদু, আমানুল্লাহ আমান, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, নাজিম উদ্দিন আলম প্রমুখ।