মেইন ম্যেনু

খালেদার দুই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ১০ সেপ্টেম্বর

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির দুই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদ্দারের আদালত বৃহস্পতিবার এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে সাক্ষ্য দেন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার সাক্ষীরা।

পূবালী ব্যাংক উত্তরা শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার এসএম ইসমাইল, জনতা ব্যাংক সাত মসজিদ শাখার জিএম শেখ মকবুল ও একই ব্যাংকের জিএম ফাহমিদা রহমান সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এর আগে দু’জন সাক্ষীকে জেরা করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী। ওই দুই সাক্ষী হলেন সোনালী ব্যাংক ফকিরাপুল শাখার সিনিয়র অফিসার ইনসানউদ্দিন আহমেদ ও ওই ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার শাহজাহান খান।

এদিকে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে তা বাতিল চেয়ে আপিল বিভাগে রিভিউ পিটিশন দাখিল করা হবে বলে অপর একটি আবেদন দাখিল করা হয়।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় ২০১৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ৫ এপ্রিল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তাকে জামিন প্রদান করেন।

এর আগে ২০১৫ সালের ২৭ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বাদি হারুনুর রশীদের জেরা সমাপ্ত হয়। বাদির জেরা শেষে আদালতে সাক্ষ্য দেন তৎকালীন তেজগাঁও থানার এসআই মাহফুজুল হক ভূঁইয়া। তিনি মামলাটি ফাইল করেন। এরপর তাকে জেরা করেন আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া ও আমিনুল হক।

জেরা শেষে সোনালী ব্যাংক ফকিরাপুল শাখার সিনিয়র অফিসার ইনসান উদ্দিন আহমেদ ও ক্যাশ অফিসার শাজাহান খান সাক্ষ্য প্রদান করেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় ২০১৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এরপর ৫ এপ্রিল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তাকে জামিন প্রদান করেন।

দুর্নীতির এ দু্ই মামলায় ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুবেদ রায়।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

এদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় আরও একটি মামলা করে দুদক।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন— মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।