মেইন ম্যেনু

খালেদার নিঃসঙ্গ ঈদ

গত কয়েক বছরের মতো এবারও পরিবার-পরিজন ছাড়াই কাটছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ঈদ।

বড় ছেলে তারেক রহমান পরিবার নিয়ে লন্ডনে, আরাফাত রহমান কোকো যিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে, তার পরিবার আছেন মালেয়শিয়ায় আর বিএনপি নেত্রী বাংলাদেশে। জিয়া পরিবারের এই তিন অংশ ঈদ করবেন তিন জায়গায়।

টানা আট বছর দুই ছেলেকে ছাড়াই ঈদ করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। এবারও তাই হচ্ছে। ব্যতিক্রম হলো এবার আরাফাত রহমান কোকো নেই। তবে প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদের দিন নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।

ঈদের দিন বেলা ১১টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন (চীন মৈত্রী) কেন্দ্রে বিশিষ্ট নাগরিক, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও সর্বসাধারণের সঙ্গে ঈদের কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন বিএনপি নেত্রী। শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন। পরে বনানীতে ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করবেন তিনি।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, পুত্র, পুত্রবধু ও নাতি-নাতনিদের ছেড়ে অনেকটা নিরানন্দে ঈদ কাটে খালেদা জিয়ার। তবে ঈদের দিনে মায়ের সঙ্গে টেলিফোনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন দুই ছেলের পরিবারের সদস্যরা। এরপর সকালে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিএনপি প্রধান। পরে ছোটভাই ও পরিবারের অন্য সদস্য ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সময় কাটান তিনি।

ওয়ান ইলেভেনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার হন খালেদা জিয়া। ওই সময় বড় ছেলে, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোও গ্রেফতার হন।

সংসদ ভবন এলাকায় বিশেষ কারাগারে আটক থাকার পর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর মুক্তি পান খালেদা জিয়া। এরমধ্যে ২০০৭ সালের দু’টি ঈদ কারাগারে কেটেছে তার। পরে তারেক রহমান প্যারোলে মুক্তি নিয়ে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। তিনি এখনও সেখানেই আছেন। সঙ্গে আছেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।

রাফাত রহমান কোকোও প্যারোলে মুক্তি নিয়ে থাইল্যান্ড যান। পরে তার স্ত্রী শর্মিলা রহমান, দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে নিয়ে মালেয়শিয়ায় যান। সেখানে গত ২৪ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন তিনি। রাজধানীর ঢাকার বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।