মেইন ম্যেনু

খুঁজে পাওয়া গেল রহস্যময় স্টোনহেঞ্জ-২

অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রত্নতত্ত্ববিদরা দ্বিতীয় একটি স্টোনহেঞ্জ খুঁজে পেয়েছে যা মূল স্টোনহেঞ্জ থেকে এক মাইল দূরে মাটির তলায় চাপা পরে আছে। গতকাল সোমবার যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম মেট্রোতে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ধারণা করা হয়েছে ৪৫০০ বছর আগে, অন্তত ৯০টি বিশাল পাথর স্মারকগুলি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বা দক্ষিণায়ণ ধর্মানুষ্ঠানের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে যা একটি চিত্তাকর্ষক ‘এরিনা’ রেখাযুক্ত।

এখন এগুলো পৃথিবীর ৩ ফুট অভ্যন্তরে মাটি দ্বারা আচ্ছাদিত রয়েছে। প্রত্নতাত্ত্বিকদের এই অনুসন্ধানের আগে পর্যন্ত এগুলো অনাবিষ্কৃত ছিল। এবং এগুলো আগের স্টোনহেঞ্জের কাছাকাছি স্থানেই অবস্থিত।

বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ অব্যাখ্যাত এক রহস্য স্টোনহেঞ্জ। ইংল্যান্ডের উইল্টশায়ার সমতল ভূমির প্রায় ৮ মাইল উত্তরে অবস্থিত। এতে বৃত্তাকারে বড় বড় দণ্ডায়মান পাথর রয়েছে এবং এগুলোর চতুর্দিকে মৃত্তিকা নির্মিত বাঁধ রয়েছে। আনুমান করা হয় ৫০০০ বছরেরও অধিক বয়সী প্রথম স্টোনহেঞ্জ স্থাপনাটি সম্ভবত ব্রিটেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার মধ্যে অন্যতম।

স্টোনহেঞ্জ নিওলিথিক এবং ব্রোঞ্জ যুগের একটি স্তম্ভ যা মানমন্দির হিসেবে ব্যবহৃত হতো বলে ধারণা করা হয়। এটি ইংল্যান্ডের উইল্টশায়ারের অ্যামাসবারির নিকটে অবস্থিত। স্টোনহেঞ্জ এর সবচাইতে বড় রহস্য যে এটি কিভাবে বানানো হল। কিন্তু আজ পর্যন্ত এর কোনো সঠিক রহস্য উম্মোচিত হয়নি।