মেইন ম্যেনু

খুনের মামলার আসামি এমপি রানা কোথায়?

খুনের মামলা মাথায় নিয়ে গ্রেফতার এড়াতে টাঙ্গাইল-৩ আসনের এমপি আমানুর রহমান খান ওরফে রানা খোদ রাজধানীতেই আত্মগোপনে আছেন। সঙ্গে আছেন তার আরেক ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তি।

সরকারের এক প্রভাবশালী এমপির বাড়িতেই তারা দীর্ঘদিন থেকে বহাল তবিয়তে আছেন। যদিও আইনশৃংখলা বাহিনীর খাতায় তারা পলাতক। ওদিকে একই অভিযোগে অভিযুক্ত তার অপর দু’ভাই এরই মধ্যে নিরাপদে বিদেশে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন।

এমপি রানার ছোট এই দুই ভাইয়ের মধ্যে জাহিদুর রহমান খান ওরফে কাঁকন আছেন মালয়েশিয়ায়। এছাড়া সবার ছোট ভাই ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান ওরফে বাপ্পা বর্তমানে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অবস্থান করছেন।

আইনশৃংখলা বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি আরও জানায়, ‘গ্রিন সিগন্যাল’ পেলেই রানা ও তার ভাইকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। ঢাকায় থাকা দু’জন তাদের নজরদারির মধ্যে আছেন।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগের নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার চার্জশিট দেয়া হয় বুধবার। এতে ১৪ জন আসামির মধ্যে অন্যতম হলেন এমপি আমানুর রহমান খান ওরফে রানা ও তার তিন ভাই। এর আগে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের জনপ্রিয় আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদকে নির্মমভাবে খুন করা হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থিতা নিয়ে তিনি রানার বিরাগভাজন হন। এরই জের ধরে ফারুককে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। এমপি রানা ও তার তিন ভাইয়ের পরিকল্পনায় দলীয় ক্যাডার দিয়ে ফারুককে গুলি করে হত্যা করা হয়।