মেইন ম্যেনু

খুব সাধারণ যে খাবারগুলো নিষিদ্ধ!

সন্ধ্যার ভাজাপোড়ায় সমুচা তো মাঝে মাঝেই খাওয়া হয় আমাদের। আর আমাদের কথা নাহয় বাদই থাক, বর্তমান সময়ে বাচ্চাদের অতি পছন্দের খাবার কিন্ডার এগস চকোলেটের কথাই ধরুন। কেমন লাগবে আপনার যখন শুনবেন এই অতি সাধারণ খাবারগুলো নিষিদ্ধ করা হয়েছে? শুনতে অদ্ভূত মনে হলেও বাস্তবে পৃথিবীর বেশ কিছু দেশে নিষিদ্ধ করা হয়ে এমন কিছু খাবার যেগুলোর নিষিদ্ধ হবার কথা কল্পনাতেও ভাবতে পারি না আমরা। চলুন জেনে আসি এমন কিছু খাবারের নাম আর তাদেরকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করা দেশগুলোকে।

১. চুইংগাম

মুখটাকে সতেজ রাখতে, মুখের ব্যায়ামের জন্যে কিংবা আর কিছু না হোক কেবল মুখ নামের অঙ্গটাকে ব্যস্ত রাখতেই অনেকে চুইংগাম খেয়ে থাকেন। সকাল বেলায় ব্রাশ করে আসতে মনে নেই? দুই টাকার একটা চুইংগাম খুব সহজেই সরিয়ে দিতে পারে মুখের দূর্গন্ধকে। কিন্তু এত উপকারী এই চুইংগামকেই নিষিদ্ধ করেছেন সিঙ্গাপুরের সরকার (বিবিসি)। মূলত, দেশকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখবার জন্যেই এমনটা করেছে সরকার।

২. কেচাপ

কোন খাবারকে আরো একটু মুখরোচক করে তুলতে তার সাথে কেচাপের তুলনা হয়না। বিশেষ করে খাবারটি যদি হয় ভাজা আর ঝালজাতীয়। কিন্তু এই খুবই দরকারি আর নিত্যদিনের সাধারন খাবার কেচাপকেও নিষিদ্ধ হতে হয়েছে ফ্রান্সে এসে (স্টাইলিস্ট)। ফ্রান্স সরকারের মতে কেচাপ কোন খাবারের আসল স্বাদকে ঢেকে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটা স্বাদ তৈরি করে। যেটা কিনা ফ্রান্সের ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলোর পক্ষে হুমকিস্বরূপ।

৩. কিন্ডার জয় এগস ও দুধ

আমাদের দেশের যেকোন দোকানেই এখন খুঁজলে পাওয়া যাবে এই বাচ্চাদের খাবারটি। কিন্তু যদি আপনি আমেরিকায় থাকেন তাহলে ভুলেও এটি কোন দোকানে খুঁজবেননা। খাবারটির ভেতরে থাকা উপাদানের সমস্যার কারণে আমেরিকা সরকার কেবল নিষিদ্ধই করেনি এটি দেশে (ইন্ডিপেনডেন্ট )। সীমান্ত দিয়ে যাতে না ঢুকতে পারে এটি আমেরিকায় সেটার প্রতিও কড়া নজর রেখে চলেছে। তবে শুধু এই কিন্ডার এগসই নয়, কানাডা ও আমেরিকার মোট ২২ টি প্রদেশে নিষিদ্ধ রয়েছে অপাস্তুরিত দুধও। অপাস্তুরিত দুধের ভেতরে থাকা জীবাণুর কারণে এরকম নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে দুধকে এসব দেশে।

৪. সমুচা

একবার ভাবুন তো, সমুচর মতন নিরীহ খাবার আবার কী করল! সত্যিই অবাক হবার মতন ব্যাপার যে সমুচা নামক অত্যন্ত সুস্বাদু এই খাবারটিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আর একে নিষিদ্ধ করেছে সোমালিয়া। তবে এরচাইতেও আরো বড় আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে সমুচা সোমালিয়ায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে জীবানু বা অন্য কোন কারণে নয়। বরং খ্রীষ্টান আকৃতির (!) হওয়ায় সোমালিয়ায় সমুচাকে নিষিদ্ধ করেছে সরকার (স্টাইলিস্ট)।