মেইন ম্যেনু

খুলনায় রোয়ানুর আঘাতে ১১০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত

ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’র আঘাতে খুলনার চারটি উপকূলীয় উপজেলায় ১১০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩২ কিলোমিটার বাঁধে ক্ষতি হয়েছে।

জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তর সূত্র জানান, শুক্র ও শনিবার বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়ায় ১২০টি বাড়ি আংশিক এবং ৪০টি বাড়ি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চারটি উপজেলার ১১০০ পরিবারের ৪ হাজার ৫৫৫ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হলো দাকোপ উপজেলার সুতারখালী ও তিলডাঙ্গা।

পাইকগাছা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাজমুল হক জানান, উপজেলার তিনটি স্থানে বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে হতাহত হয়নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী পীযুষ কৃষ্ণ কুণ্ডু জানান, জেলার উপকূল এলাকায় ৩২ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হচ্ছে- পাইকগাছা উপজেলার আলমতলা, কুমখালী, কামারখালী, কাটাখালী, পান মধুখালী, জিরবুনিয়া, দেলুটি, দাকোপ উপজেলার বটবুনিয়া, কামিনীবাশিয়া, ঝালবুনিয়া, আন্দারমানিক, পানখালী, বটিয়াঘাটা উপজেলার আমীরপুর, বালিয়াডাঙ্গা, বুজবুনিয়া, নারানপুর ও বারোয়ারিয়া। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সংস্কারের জন্য সাড়ে ৬ কোটি টাকা প্রয়োজন বলে প্রধান প্রকৌশলীকে জানানো হয়েছে।

পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান স ম বাবর আলী জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় জানান, মিনহাজ নদীর ১০-১২ নম্বর পোল্ডার এলাকার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিতে রয়েছে। দেলুটির বাঁধ যে কোনো সময়ে ভেঙে যেতে পারে।

ডুমুরিয়া উপজেলার চেয়ারম্যান খান আলী মুনসুর জানান, ভদ্রা নদীর প্রবল জোয়ারে সরাফপুর ইউনিয়নের ৬টি গ্রাম প্লাবিত হয়। ফলে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। বাঁধ মেরামত কাজে যত সময় লাগবে, ততই জনগণের দুর্ভোগ ও ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে।

দাকোপ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আবুল হোসেন বলেন, নদী ভাঙনে পুলিশ ফাঁড়ি ক্লোজড করা হয়েছে। তিনি ভাঙন কবলিত ঝালবুনিয়া ও কামিনীবাশিয়া এলাকার বাঁধের সংস্কারের উপর গুরুত্বারোপ করেন।