মেইন ম্যেনু

খোঁজ মেলেনি পাইলট তাহমিদের, অভিযান অব্যাহত

ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহমিদ রুম্মনের খোঁজে বুধবারও পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত থেকে কয়েক নটিক্যাল মাইলের মধ্যে টানা তৃতীয় দিনের মত উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বিমানবাহিনী। উদ্ধারকারীদের ধারণা, দুর্ঘটনার সময় যুদ্ধবিমান থেকে বের হতে পারেননি তাহমিদ।

উদ্ধারকাজে নিয়োজিত কোস্টগার্ডের জাহাজ সিজিএস তৌফিক থেকে পূর্বাঞ্চলীয় কোস্টগার্ডের গোয়েন্দা শাখার প্রধান লেফটেন্যান্ট কমান্ডার দুরুল হুদা টেলিফোনে জানান, ককপিট থেকে পাইলট তাহমিদ বের হতে পেরেছে কিনা সেই ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

‘পাইলট বের হয়ে আসার খবর একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানালেও পরবর্তীতে সেই ব্যক্তি এই ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলছে না। পাইলট ককপিট থেকে বের হতে পারলে আশপাশের নৌযানগুলো তাকে উদ্ধার করতে পারতো। ওই এলাকায় বড় বাণিজ্যিক জাহাজ ছাড়াও প্রচুর নৌযান চলাচল করে,’ জানান তিনি।

দুরুল হুদা আরও জানান, ‘নৌবাহিনীর জাহাজ বিএনএস সুরভী তাদের অত্যাধুনিক সাইট স্ক্রিন সোনার যন্ত্র দিয়ে সমুদ্রের তলদেশে বিধস্ত বিমানটির খোঁজে বিরামহীন তল্লাশি চালাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।’

তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনার সম্ভাব্য স্থানে পানির গভীরতা জোয়ারের সময় ১২ থেকে ১৩ মিটার। আর ভাটার সময় আট মিটারের কাছাকাছি। সমুদ্রের তলদেশে বিমানটির অবস্থান শনাক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ।’

গত সোমবার বেলা এগারোটার কিছু পরে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত থেকে ছয় নটিক্যাল মাইল দূরে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান এফ-৭ বিধস্ত হয়। এরপর থেকে বিমানটির একমাত্র আরোহী পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহমিদ রুম্মান নিখোঁজ আছেন।

লেফটানেন্ট কমান্ডার দূরুল হদা বলেন, ‘এখন পুরো বিষয়টা উপরওয়ালার উপর ছেড়ে দিতে হচ্ছে। অলৌকিকভাবে অনেক কিছু ঘটতে পারে। আমাদের সেটার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।’