মেইন ম্যেনু

গণপরিবহণের অভাবে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ

ফিটনেসবিহীন গাড়ি ও নকল লাইসেন্সের বিরুদ্ধে অভিযানকালে রাজধানীর তালতলা এলাকায় হিমাচল পরিবহণের একটি যাত্রীবাহী বাসের চালককে জেল-জরিমানা করায় যান চলাচল বন্ধ করেছেন পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা।

এতে রাজধানীতে গণপরিবহণের অভাবে ঘরমুখী যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

রোববার সকাল ১০টা থেকে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে এ অভিযান চালায়।

জানা গেছে, অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজধানীর তালতলা এলাকায় হিমাচল পরিবহণের যাত্রীবাহী একটি বাসের চালককে জরিমানা ও ১ মাসের কারাদণ্ড দেন। এ ঘটনার পর পরিবহণ সংশ্লিষ্ট লোকজন ওই এলাকায় জড়ো হন। পরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।

রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীতে দেখা যায়, বিআরটিসি এবং স্টাফ বাস ব্যতীত অন্যান্য বাসের সংখ্যা ছিল খুবই কম। ফলে দিনের কাজ শেষে ঘরমুখী মানুষরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকে হেঁটেই গন্তব্যে রওনা দিয়েছেন।

রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে বাসের জন্য অপেক্ষারত যাত্রীরা বলেন, সামান্য ঘটনা নিয়ে পরিবহণ মালিকদের এ ধরনের আচরণ বাড়াবাড়ি। আমাদের ভোগান্তির মধ্যে ফেলে তাদের এই কাজ করা ঠিক হয়নি।

সকালে তালতলা এলাকায় সড়কে অবরোধ থাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে লোকজন চরম ভোগান্তিতে পড়েন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।কিন্তু সন্ধ্যা নাগাদও অবস্থার উন্নতি হয়নি। অনেকেই বাস চালানো বন্ধ রেখেছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) মুনতাসিরুল ইসলাম জানান, দুপুরের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যেসব গাড়ি ডিপোতে যাচ্ছে সেখান থেকে সেগুলো আর ফিরছে না। তারা বন্ধ করে রাখছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিপোতে যাওয়া গাড়িগুলো না ফেরায় সড়কে বাসের সংখ্যা কমে গেছে। এ ছাড়া অনেক জায়গায় গাড়িতে যাত্রী না ওঠানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

তালতলা ছাড়াও রাজধানীর মতিঝিল, দৈনিক বাংলা মোড়, পল্টন, গুলিস্তানসহ অন্যান্য কয়েকটি এলাকায়ও গাড়ি বন্ধ করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।ফলে এসব এলাকার যাত্রীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।