মেইন ম্যেনু

গমের দায় মন্ত্রী এড়াতে পারেন না : সংসদীয় কমিটি

খাদ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. আবদুল ওয়াদুদ বলেছেন, ‘ব্রাজিলের গম আমদানির কাজটা খাদ্য অধিদফতর করলেও মন্ত্রণালয় এর দায় এড়াতে পারে না। কারণ এটা দেখার দায়িত্ব মন্ত্রণালয়ের। সেক্ষেত্রে মন্ত্রী দায় অস্বীকার করতে পারেন না।’

জাতীয় সংসদের খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে মঙ্গলবার সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।

আবদুল ওয়াদুদ বলেন, কমিটির বৈঠকে আমরা জানতে চেয়েছি, এ রকম আলোচনা হচ্ছে কেন? মন্ত্রণালয়ের জবাব আমাদের কাছে ঠিক মনে হয়েছে। যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই গম আমদানি করা হয়েছে। লাল রঙের গম আমাদের দেশের মানুষ কম পছন্দ করে। সাদা রঙের গম বেশি পছন্দ করে। এটিও একটা কারণ হতে পারে।

মন্ত্রীর পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি বলেন, এখানে একটা লক্ষণীয় বিষয়, খবরের কাগজগুলো বেশি করে মন্ত্রীকে জড়াচ্ছে। অবশ্য মন্ত্রী দায় অস্বীকার করতে পারেন না। কারণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ডিজি। তবে দায়দায়িত্ব ডিজির ওপরে বর্তায়। আমরা ডিজিকেও প্রশ্নের সম্মুখীন করেছি।

আমদানির পূর্বে মন্ত্রী এই গম সম্পর্কে জানতেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মন্ত্রীর অজ্ঞাতসারে সম্ভব এই কারণে, মন্ত্রণালয় একটা আদেশ দেয়। আমরা এই পরিমাণ গম এবার ক্রয় করতে চাই। এর দায়দায়িত্ব সম্পূর্ণ ডিজির। ডিজি ক্রয় করবে, টেন্ডার আহ্বান করবে, পেমেন্ট ক্লিয়ার করবে।

কমিটির সভাপতি বলেন, তাদের সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ক্রয়ের কাগজ আমরা চেয়েছি। আগামী বৈঠকে পরীক্ষা করে দেখব এত আলোচনা কেন হচ্ছে? কোথা থেকে সূত্রপাত? কারণ এর সঙ্গে সরকারের ভাবমূর্তি জড়িত। আদালতের নির্দেশনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সংসদীয় কমিটি ঘটনাটি তদন্তের উদ্যোগ গ্রহণ করবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যেহেতু বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে সেহেতু আমরা এখনই কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছি না। আদালত বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর সংসদীয় কমিটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

কমিটির সভাপতি মো. আব্দুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. কামরুল ইসলাম, মো. আব্দুল মালেক, খন্দকার আবদুল বাতেন, শেখ মো. নূরুল হক ও শিরিন নাঈম।