মেইন ম্যেনু

গরিবের ‘ভায়াগ্রা’

গরমের আকর্ষণীয় ফল তরমুজ। রসালো এই ফলের প্রতি দুর্বলতা নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। শুধু সুস্বাদু ফল হিসেবেই নয়, এই তরমুজে আছে অসাধারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। বিশেষ করে তরমুজে আছে যৌনশক্তি বৃদ্ধির অকল্পনীয় খাদ্যগুণ। এজন্য তরমুজকে বলা হয় প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা। কেউ কেউ সহজলভ্য এই ফলটিকে ‘গরিবের ভায়াগ্রা’ মনে করেন। আসুন জেনে নিই তরমুজের কিছু গুণাগুণ-

ক্যানসার প্রতিরোধক: তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ তরমুজ খেলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসজনিত অসুস্থতা কমে যায়। এছাড়াও নিয়মিত তরমুজ খেলে প্রোস্টেট ক্যানসার, কোলন ক্যানসার, ফুসফুসের ক্যানসার ও ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমে যায়।

পানিশূন্যতা দূর করে: তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি আছে। গরমের সময় যখন ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায় তখন তরমুজ খেলে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়। ফলে শরীর থাকে সুস্থ ও সতেজ।

চোখ ভালো রাখে: তরমুজে আছে ক্যারোটিনয়েড। আর তাই নিয়মিত তরমুজ খেতে চোখ ভালো থাকে এবং চোখের নানান সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ক্যারটিনয়েড রাতকানা প্রতিরোধেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

ওজন কমাতে সহায়তা করে: তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণে পানি কিন্তু এতে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। আর তাই তরমুজ খেলে পেট ভরে যায় কিন্তু সেই অনুযায়ী তেমন কোনো ক্যালরী শরীরে প্রবেশ করে না। ফলে তরমুজ খেয়ে পেট পুরে ফেললে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

যৌনশক্তি বাড়ায়: টেক্সাস এ অ্যান্ড এম ইউনিভার্সিটির গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, যারা যৌনশক্তির দিক থেকে দুর্বল তাদের জন্য তরমুজ প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। একটি তরমুজে প্রচুর পরিমাণে সিট্রোলিন নামের অ্যামাইনো এসিড থাকে যা ভায়াগ্রার বিকল্প হিসেবে কাজ করে।

তরমুজে আছে খনিজ উপাদান: তরমুজ এর আছে অনেক পুষ্টিগুণ। প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা তরমুজে রয়েছে ৯২ থেকে ৯৫ গ্রাম পানি, আঁশ ০.২ গ্রাম, আমিষ ০.৫ গ্রাম, চর্বি ০.২ গ্রাম, ক্যালোরি ১৫ থেকে ১৬ মি.গ্রাম। । এছাড়াও তরমুজে ক্যালসিয়াম রয়েছে ১০ মি.গ্রাম,আয়রন ৭.৯ মি.গ্রাম, কার্বহাইড্রেট ৩.৫ গ্রাম, খনিজ পদার্থ ০.২ গ্রাম, ফসফরাস ১২ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন ০.২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ও ভিটামিন বি২।