মেইন ম্যেনু

গর্ভধারন না করেও ৭ বছর ধরে প্রতিদিন ৫ লিটার দুধ দিচ্ছে বকনা গরু!

গর্ভে বাচ্চা বা কোন বাছুর ধারন না করেও ৭ বছর ধরে প্রতিদিন ৫ লিটার করে দুধ দিয়ে যাচ্ছে ফ্রিজিয়ান জাতের একটি কামধেনু বকনা গরু।

আর্চায্যজনক ঘটনাটি ঘটেছে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় খড়িয়াপাড়া গ্রামে। ব্যাতিক্রমী এই খবরটি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ার পর ওই কৃষকের বাড়িতে প্রতিদিন উৎসুক জনতার ভীড় বাড়ছে। তার কাছ থেকে গাভীটি কেনার জন্য অনেকেই প্রস্তাব দিচ্ছেন। ঘটনাটি এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, গরীব কৃষক তাফাজ্জল হোসেন বিগত ১০ বছর আগে ৩ বছর বয়সী বিদেশী ফ্রিজিয়ান জাতের লাল রংয়ের এই বকনা বাছুরটি উপজেলার নন্নী এলাকা থেকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করেন। এরপর পুর্নবয়স্ক হওয়ার পর গরুটিকে গর্ভবতী করাতে কয়েক বার উদ্যোগ নিলেও গর্ভবতী হয়নি ওই বকনাটি। এর কিছু দিনপর বাকনাগাভীর ওলান (ব্রেষ্ট) আকারে বড় হতে থাকে।

এমন অবস্থা দেখে গরুর মালিক পরীক্ষামূলক ভাবে বকনাগরুটির বানে টান দেয়ার পর দুধ বেরুতে থাকে। প্রথম ২/৩ লিটার তার কিছুদিন পর থেকে আজোবধি প্রতিদিন ৫লিটার করে দুধ দিচ্ছে। এই বকনার মালিক তাফাজ্জল হোসেন জানান, প্রতিদিন গরুটির খাবার হিসেবে খৈল, ভূষি ও মাঠের ঘাস খাওয়ানো বাবদ গড়ে ১শ টাকা করে খরচ হয় তার। দুধ বিক্রি বাবদ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পান তিনি। প্রতিদিন খরচ বাদে তার ১৫০ থেকে ২০০ টাকা আয় হয়।

এব্যপারে বাঘবেড় খড়িয়াপাড়া গ্রামের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আবুল হাশেম বলেন, ঘটনাটি আর্চায্যজনক হলেও সত্য। এটি গর্ভধারন না করেও ৭ বছর ধরে প্রতিদিন ৫ লিটার করে দুধ দিয়ে যাচ্ছে। নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ আশরাফুজ্জামান বলেন, একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। হরমোন জনিত কারনে এমনটি হয়। এ ধরনের গরুকে কামধেনু বকনা বলে। এগুলো গর্ভধারন না করেও দুধ দিয়ে থাকে।