মেইন ম্যেনু

গর্ভপাত ঠেকাতে তথ্য গোপন করছেন চিকিৎসকরা!

দেশে দেশে গর্ভপাতের মাত্রা বৃদ্ধি রীতিমতো মহামারি রূপ নিয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি দেশ এই ‘হত্যাযজ্ঞ’ বন্ধে আইন করারও উদ্যোগ নিয়েছে।

তবে এই ‘হত্যাযজ্ঞ’টি যাদের হাত দিয়ে হয়, তারাই এটি বন্ধে এগিয়ে এসেছেন।

গর্ভপাত ঠেকাতে মায়েদের কাছে তথ্য গোপন করছেন পোল্যান্ডের কিছু চিকিৎসক। তারা গর্ভধারণ ঝুঁকির পুরো ‘চিকিৎসা-প্রভাব’ মা হতে যাচ্ছেন এমন নারীদের কাছে প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, খৃস্টান ক্যাথলিক সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে ইউরোপের সবচেয়ে কড়া গর্ভপাত আইন রয়েছে। অনেক চিকিৎসক নৈতিক দায় থেকেই গর্ভপাত করাতে অস্বীকৃতি জানান। অধিকাংশ গর্ভপাতই হচ্ছে অবৈধ।

অনেকটা চিকিৎসকদের তথ্য গোপনের কারণেই মা হয়েছেন আলেক্সান্দ্রা উয়িকা। জনাথন নামে তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তিনি জানান, গর্ভধারণের বিষয়ে চিকিৎসকরা তাকে বিস্তারিত তথ্য দেননি, যদিও ‘ডাউন সিড্রোমের’ বড় ঝুঁকি ছিল। জনাথনের জন্মের পরই জানতে পারেন তিনি এমন পরিস্থিতিতে ছিলেন।

উয়িকা বলেন, ‘সবক’টি পরীক্ষার পর আমার চিকিৎকরা বলেছেন- সব কিছু ঠিকঠাক আছে, এটা দারুন ব্যাপার।’

তিনি বলেন, ‘আমি আমার অনেক বান্ধবীর কাছ থেকে শুনেছি, এমনকি ডাক্তারা যদি জানেনও ভুল (ঝুঁকিপূর্ণ) কিছু ঘটতে যাচ্ছে, কিন্তু তারা ওই মাকে বিষয়টি বলেন না।’

ধর্ষণ ও অজাচারজনিত গর্ভধারণ থেকে মুক্তিসহ সব ধরনের গর্ভপাত বন্ধে প্রস্তাবিত আইনের বিরুদ্ধে গত মাসে পোল্যান্ডে কালো পোশাক পরে কয়েক হাজার নারী বিক্ষোভ করেছে।

যদিও শেষ পর্যন্ত বিলটি পাস হয়নি, ক্যাথলিক রক্ষণশীলরা সব ধরনের গর্ভপাত বন্ধে এখনও আইনটি পাসের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।