মেইন ম্যেনু

গাড়ি বা ট্রাক নয়, টাটা মোটর্স বাজারে আনল অভিনব কন্ডোম! কারণ জানলে অবাক হবেন…

সস্তার এই কন্ডোমের প্রতি পিসের দাম মাত্র তিন টাকা। রাতে রাস্তায় চলাচল করার জন্য ট্রাক চালকরা ‘ডিপার’ লাইটের ব্যবহার করেন। অধিকাংশ ট্রাকের পিছনেই রাতের বেলা ‘ডিপার’ লাইট ব্যবহার করার বার্তা দেওয়া থাকে।

গাড়ি, ট্রাক এবং এই সমস্ত যানবাহনের যন্ত্রাংশ উৎপাদনের জন্যই বিখ্যাত টাটা মোটর্স। কিন্তু এবার আর কোনও নতুন মডেলের গাড়ি নয়, বাজারে কন্ডোম নিয়ে এল টাটা মোটার্স।

হঠাৎ কন্ডোম কেন? কারণ ট্রাক চালকদের মধ্যে অনেকেই দীর্ঘ যাত্রাপথের একাকীত্ব কাটানোর জন্য যৌনকর্মীদের কাছে যান। কিন্তু পথে-ঘাটে সবসময়ে কন্ডোম পাওয়া সম্ভব হয়না। তাছাড়া প্রয়োজনীয় সচেতনতার অভাবে সবসময়ে ট্রাক চালকরা যৌনকর্মীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করার সময়ে কন্ডোম ব্যবহারও করেন না।

ফলে, ট্রাক চালকদের শরীরে এইচআইভি-সহ অন্যান্য যৌন সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ট্রাক চালকদের সচেতন করার জন্য সরকারি স্তরেও চেষ্টা কম হয়নি। একটি সমীক্ষা অনুযায়ী দেশের প্রায় কুড়ি লক্ষ ট্রাকচালক যৌনকর্মীদের কাছে যান। এদের মধ্যে মাত্র ১১.৪ শতাংশ ট্রাক চালক কন্ডোম ব্যবহার করেন।

শুধু তাই নয়, এই ট্রাক চালকদের মধ্যে ১৬ শতাংশ এইডস-এ আক্রান্ত। এই ট্রাক চালকদের থেকে অনেক সময়েই এই রোগ তাঁদের স্ত্রীদের শরীরেও সংক্রমিত হয়। যেহেতু টাটা মোটার্স দেশের সবথেকে বড় ট্রাক উৎপাদন করে, তাই ট্রাক চালকেদর ‘সেফ সেক্স’ সম্পর্কে সচেতন করতেই তাদের এই উদ্যোগ।

সস্তার এই কন্ডোমের প্রতি পিসের দাম মাত্র তিন টাকা। রাতে রাস্তায় চলাচল করার জন্য ট্রাক চালকরা ‘ডিপার’ লাইটের ব্যবহার করেন। অধিকাংশ ট্রাকের পিছনেই রাতের বেলা ‘ডিপার’ লাইট ব্যবহার করার বার্তা দেওয়া থাকে। অর্থাৎ নিরাপদে পথ চলার জন্য ‘ডিপার’-এর ব্যবহার জরুরি। সেই জন্যই ট্রাক চালকদের ‘সেফ সেক্স’-এ উৎসাহিত করতে কন্ডোমের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডিপার’।