মেইন ম্যেনু

গাদ্দাফিপুত্র সাইফের মৃত্যুদণ্ড

লিবিয়ার একটি আদালত সাবেক স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। ২০১১ সালের যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মঙ্গলবার তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

সাইফ ছাড়া আরও আট ব্যক্তিকে একই ঘটনায় মৃত্যুদণ্ড দেয় লিবিয়ার ওই আদালত। এদের মধ্যে রয়েছেন গাদ্দাফির শাসনামলে গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান আবদুল্লাহ আল-সেনুসি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বাগদাদি আল-মাহমুদি।

এছাড়া সাবেক আট কর্মকর্তাকে যাবজ্জীবন ও সাতজনকে ১২ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

পৃথক পৃথক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স, বিবিসি ও আলজাজিরা।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন না গাদ্দাফিপুত্র সাইফ। তবে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে আদালতে তাকে উপস্থাপন করা হয়।

জিনতান শহরে সাবেক এক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাতে জিম্মি রয়েছেন সাইফ। ওই গোষ্ঠীর সদস্যরা তাকে হস্তান্তর করতে অসম্মতি জানিয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সাইফ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কাছে ‘ওয়ান্টেড আসামি’ ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেছেন, সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মানুষকে নিশ্চিহ্ন করতে সব রকম পদক্ষেপ নিয়েছিলেন গাদ্দাফি। সাইফও তার বাবার এই অন্যায় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

খবরে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিপক্ষে আপিল করার সুযোগ পাবেন সাইফ।

২০১১ সালের আরব বসন্তের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সহিংসতায় পরিণত করার অপরাধে কর্নেল গাদ্দাফির অত্যন্ত কাছের অন্তত ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

লিবিয়ার আদালতে গত বছর তাদের বিচার শুরু হয়। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো লিবিয়ার বিচার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে সমালোচনা করে আসছে।

এক সকার খেলোয়াড়কে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত গাদ্দাফির আরেক পুত্র সাদি গাদ্দাফির বিচার চলছে।