মেইন ম্যেনু

গুরুতর অপরাধের অভিযোগ যে বলিউড তারকাদের বিরুদ্ধে

বলিউড তারকারা যেমন জনপ্রিয়, তেমনি ব্যক্তিগত জীবনে গুরুতর অপরাধ করে অনেকেই বিতর্কিত হয়েছেন। জেনে নিন গুরুতর অপরাধে জড়িয়েছেন যেসব বলিউড তারকা।

শাইনি আহুজা : বাড়ির পরিচারিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ২০০৯ সালে মামলা দায়ের হয় শাইনি আহুজার বিরুদ্ধে।

শক্তি কাপুর : ২০০৫ সালে একটি স্টিং অপারেশনে ধরা পড়ে যে, এক সাংবাদিককে যৌন সম্পর্কের জন্য উৎসাহিত করছিলেন শক্তি কাপুর।

ইন্দর কুমার : ২৩ বছর বয়সি এক উঠতি মডেলকে শারীরিকভাবে হেনস্তার অভিযোগ ওঠে ইন্দর কুমারের বিরুদ্ধে। ফলে জেলও খাটতে হয় তাকে।

আদিত্য পাঞ্চালি : অভিনেত্রী পূজা বেদির সঙ্গে যখন আদিত্য পাঞ্চালির সম্পর্ক ছিল তখন তিনি ১৫ বছরের এক কিশোরী পরিচারিকাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পাঞ্চালির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে।

মনিকা বেদি : ২০০৫ সালে মনিকা বেদি ও তার প্রেমিক তথা ডন আবু সালেম পর্তুগালে পালাতে গিয়ে ধরা পড়েন। পাসপোর্ট জালিয়াতি মামলায় তার পাঁচ বছরের জেল হয়।

সালমান খান : সালমান খানের বিরুদ্ধে ‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলা ছাড়াও ‘কৃষ্ণসার হরিণ’ হত্যার মামলা রয়েছে।

সুরজ পাঞ্চালি : জিয়া খান হত্যা মামলায় জড়িয়ে পড়ে জেল খেটেছেন সুরজ।

জন আব্রাহাম : ২০০৬ সালে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গাড়ি চালিয়ে মামলার মুখে পড়েন জন আব্রাহাম।

সাইফ আলী খান : ‘কৃষ্ণসার হরিণ’ হত্যা মামলায় জড়িয়ে পড়া ছাড়াও এক এনআরআই ব্যবসায়ীকে মারধরের জন্যও মামলা হয় সাইফের নামে।

ফারদিন খান : কোকেন পাচারের অভিযোগে ২০০১ সালে মামলা দায়ের হয় ফারদিন খানের বিরুদ্ধে। এরপর ২০১০ সালে ফের একবার কোকেনসহ ধরা পড়েন ফারদিন খান।

অঙ্কিত তিওয়ারি : বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করেও বিয়ে না করায় অঙ্কিতের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন তার প্রাক্তন প্রেমিকা।

রাজকুমার সন্তোষি : চায়না গেট সিনেমার সেটে পরিচালক রাজকুমার সন্তোষি যৌন নিগ্রহ করেন বলে অভিযোগ করেন অভিনেত্রী মমতা কুলকার্নি।

গোবিন্দ : ২০০৮ সালে একটি সিনেমার শুটিংয়ের সময় এক দর্শককে চড় মারার অভিযোগ ওঠে গোবিন্দর বিরুদ্ধে। মামলাটি এখনো চলমান।

সঞ্জয় দত্ত : ১৯৯৩ সালের মুম্বাই বিস্ফোরণ মামলায় জড়িয়ে পড়ে অস্ত্র আইনে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পাঁচ বছরের সাজা খাটছেন সঞ্জয় দত্ত।