মেইন ম্যেনু

গুলি ও হত্যা স্বাভাবিক, ইউপি নির্বাচন তামাশায় পরিণত

হামিদা আক্তার বারী, ডিমলা (নীলফামারী) থেকে : চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে স্থানীয়দের বিক্ষোভে পুলিশের গুলিবর্ষণ ও নিহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষনেতা ও বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি বলেছেন, চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বেসরকারি উদ্যোগে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রতিবাদে বিক্ষোভরত জনগনকে গুলি করে দুই সহোদর ও এক নারীসহ অন্তত পাঁচজন নিহত ও বহু মানুষ আহত হবার ঘটনা সরকারে মানসিকাতারই বহিঃপ্রকাশ। কথায় কথায় প্রতিবাদী মানুষের ওপর গুলি চালিয়ে হত্যা ও আহত করা এখন এক স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। তিনি সরকারের এই অপশাসনের বিরুদ্ধে রায় দেয়ার জন্য নাউতারাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচন কমিশনের অযোগ্যতা বারবার প্রমাণিত হয়েছে। গত দুই ধাপে ৪২ জন নিহত হবার মাধ্যমে এ নির্বাচন ব্যবস্থার উপর জনগণ আস্থা হারিয়েছে। গত ৫ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মনোনীত নাউতারা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আবুল হোসেনের পক্ষে নাউতারা ইউনিয়নের আকাশ কুড়ি, গাছবাড়ি, নিজপাড়া, চৌপতি এলাকায় গণসংযোগকালে ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি এসব কথা বলেন। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল হোসেন, ন্যাপ নীলফামারী জেলা সদস্য মোঃ ওয়াহেদুর রহমান, ডিমলা উপজেলা আহ্বায়ক শাহ্ আজিজুল ইসলাম, সদস্য সচিব মোফাক্কারুল ইসলাম পেলাব, নাউতারা ইউনিয়ন আহ্Ÿায়ক জলিলুর রহমান জলিল, এলাহি বকস, যুব ন্যাপ আহ্Ÿায়ক মোঃ শাহ্ আলম, সদস্য সচিব নুর আলম, জিয়াউর রহমান, হামিদুর ইসলাম, সৌদি মতিয়ার রহমান প্রমুখ। জেবেল রহমান গাণি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আসন ভাগাভাগির তামাশায় পরিণত করছে সরকার। জনগনের ভোটাধিকার চরমভাবে পদদলীত হচ্ছে। ইউপি নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করছে সরকার। জনগণ যাতে ভোট কেেেন্দ্র না যায়, সেই ব্যবস্থা করেছে সরকারের তৃণমী পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। জেবেল রহমান গাণী আরো বলেন, বর্তমান সরকার ভোটের নামে ইউপি নির্বাচনকে তামাশায় পরিণত করে বিরোধী দল দেশবাসী ও বিশ্ববাসীকে দেখাতে সক্ষম হয়েছে আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে না। তিনি চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, দু‘পক্ষের মধ্যে শান্তিরক্ষাই যেখানে পুলিশের কর্তব্য ছিল, সেখানে পুলিশ এ ধরনের হত্যাকান্ড ঘটিয়ে প্রমান করলো অস্থিরতা। বাঁশখালীর ঘটনা তারই প্রমাণ। হত্যা-নির্যাতন চালিয়ে জনগণের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ও ন্যায় সঙ্গত অধিকার আদায়ের আর বেশী দিন দমন করে রাখা যাবে না।