মেইন ম্যেনু

গোল্ডকাপের শিরোপা নেপালের

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের এবারের আসরে শিরোপা জিতেছে নেপাল। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বাহরাইনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এই আসরের শিরোপা জিতল দলটি। আর এর ফলে বড় কোনো টুর্নামেন্টে ২৩ বছরের শিরোপা অপেক্ষারও অবসান হলো হিমালয় কন্যা খ্যাত এই নেপালের।

চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত নেপাল জাতীয় ফুটবল দল ৫০ হাজার ডলার প্রাইজমানি পেয়েছে। পাশাপাশি ২১ ভরি স্বর্ণের ট্রফি জিতেছে। অবশ্যটি ট্রফিটি তাদের দেওয়া হবে না। এটি বাফুফে সংরক্ষণ করবে। আর নেপালকে তার মূল্য ও রেপ্লিকা ট্রফি দিয়ে দেওয়া হবে। অন্যদিকে রানার আপ বাহরাইন দলকে ২৫ হাজার ডলার প্রাইজমানি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১৫ ভরি রূপা দিয়ে তৈরি রানার আপ ট্রফি দেওয়া হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফাইনালে পুরস্কার বিতরণ করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুক্রবার বাহরাইন অনূর্ধ্ব-২৩ দলের জালে গোল তিনটি করেন নেপালের বিমল ঘারতি মাগার, বিশাল রায় ও নবযুগ শ্রেষ্ঠা। ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে বিমলের গোলে এগিয়ে যায় নেপাল।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ, পাল্টা-আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। ৫৩তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণের সুযোগ হারান সেমি-ফাইনালে হ্যাটট্রিক করা নবযুগ শ্রেষ্ঠা। এই ফরোয়ার্ডের শট গ্লান্স করে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান বাহরাইন গোলরক্ষক।

ম্যাচের ৬২তম মিনিটে নবযুগের বাড়ানো বল পোস্টের বাইরে দিয়ে মেরে ব্যবধান বাড়ানোর আরেকটি সুযোগ নষ্ট করেন নেপালের হেমান গুরুং।

ম্যাচের ৮০তম মিনিটে নেপালের বিক্রম লামার সঙ্গে আহমেদ আলথুয়ানির বল দখলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। ঘটনাটি খেলোয়াড়সুলভ মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে বাহরাইনের আহমেদ ও নেপালের সুমন লামাকে লাল কার্ড দেখান রেফারি।

৮৭তম মিনিটে নেপালের প্রথমবারের মতো গোল্ড কাপ জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে দেন বিশাল রায়। বক্সের মধ্যে থেকে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে ক্রস দেন অঞ্জন। বল জালে পাঠাতে ভুল হয়নি বিশালের।

শেষ দিকে বিমলের লম্বা করে বাড়ানো বল হেডে বাহরাইনের জালে পাঠিয়ে নেপালের শিরোপা নিশ্চিত করে দেন নবযুগ। আর যোগ করা সময়ে বাহরাইনের অধিনায়ক আব্দুল আজিজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন। শেষপর্যন্ত ৩-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নেপাল।