মেইন ম্যেনু

গ্রিসে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন তুরস্কের বিদ্রোহী সেনারা

গ্রিসে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছে তুরস্কের বিদ্রোহী সেনাদের একটি দল। দেশটিতে শুক্রবারের সেনা অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার পর গ্রিসের উত্তরাঞ্চলীয় অালেকজান্দ্রোপোলি এলাকায় একটি তুর্কি হেলিকপ্টার অবতরণ করেছে। ওই হেলিকপ্টারে আটজন তুর্কি সেনা রয়েছেন। তারা সবাই দেশটিতে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন।

তবে তারা তুরস্কের সেনাবাহিনীর কোন পর্যায়ের কর্মকর্তা সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি।

এদিকে অবৈধভাবে প্রবেশের দায়ে ওই আট তুর্কি সেনাকে আটক করেছে গ্রিসের পুলিশ।

ওই সেনা সদস্যরা তুরস্কের অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

শুক্রবার মধ্যরাতে হঠাৎ করেই বিদ্রোহী সেনারা তুরস্ক সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানে অংশ নেন। দেশটির বিভিন্ন স্থানে অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টা চালান তারা।

তবে শনিবার প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের হাজার হাজার সমর্থকের বিক্ষোভের মুখে সেনাবাহিনীর বিদ্রোহী অংশ ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়। শুধু তাই নয়, এরদোয়ানের সমর্থকদের তোপের মুখেই অভ্যুত্থানে অংশ নেয়া সেনা সদস্যদের মধ্যে ৫০ সেনা ইতোমধ্যেই সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। শনিবার সকালে ইস্তাম্বুলের বসফরাস সেতুর ওপর আত্মসমর্পণ করেছেন অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ওই সেনা সদস্যরা।

বার্তা সংস্থা এপি জানায়, অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় শুক্রবার রাত থেকে এখন পর্যন্ত ১৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরো ১ হাজার ৪০০ জন। সেনা অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৩৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তুর্কি প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিম এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সেনা অভ্যুত্থানের মুখে শুক্রবার রাতেই ইস্তাম্বুলে ফেরেন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। এক বিবৃতিতে এরদোয়ান জানিয়েছেন, অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় জড়িতদের চরম মূল্য দিতে হবে।