মেইন ম্যেনু

ঘরোয়া আসরেও আরাফাত সানি প্রশ্নবিদ্ধ

ভারতের ধর্মশালায় গত ৯ মার্চ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের পর পেসার তাসকিন আহমেদ ও বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত সানির বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেছিলেন আম্পায়াররা। ১২ মার্চ চেন্নাইয়ে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিয়েছিলেন সানি। আর তাসকিন পরীক্ষা দিয়েছিলেন ১৫ মার্চ। সেখানে তাঁদের অ্যাকশন অবৈধ প্রমাণিত হয়। এর পর থেকেই তাঁরা পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় আছেন।

হতাশার কথা, দীর্ঘদিন পুনর্বাসনে থাকার পরও ঘরোয়া আসর ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনে অভিযুক্ত হয়েছেন আরাফাত সানি। বুধবার লিগে খেলা ১১ জন বোলারের তালিকা প্রকাশ করা হয়, যাঁদের অ্যাকশন সন্দেহজনক। এই তালিকায় আছেন শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের হয়ে মাত্র চার ম্যাচ খেলা এই বাঁহাতি স্পিনার। তবে আশার কথা, এদের মধ্যে তাসকিনের নাম নেই।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর দেশে ফিরেই সানি পুনর্বাসনে। কিন্তু এখনো তিনি অ্যাকশন শুধরাতে পারেননি। তাই অক্টোবরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে তাঁর ফেরা হবে কি না তা নিয়ে এখন কিছুটা সংশয় তৈরি হয়েছে।

সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনে অভিযুক্ত ১১ বোলার : আরাফাত সানি (শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব), মুস্তাফিজুর রহমান (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স), মইনুল ইসলাম (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স), অমিত কুমার নয়ন (আবাহনী), রেজাউল করিম (প্রাইম দোলেশ্বর), মোহাম্মদ শরিফুল্লাহ (কলাবাগান ক্রীড়া চক্র), আসিফ আহমেদ রাতুল (লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ), নাঈম ইসলাম জুনিয়র (মোহামেডান), ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স (মোহামেডান), সঞ্জিত সাহা (ব্রাদার্স ইউনিয়ন), মোহাম্মদ সাইফু্দ্দিন (সিসিএস)।