মেইন ম্যেনু

ঘাটাইল এখন বেকুর শহর

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা এখন এস্কিউভিউটর (বেকুর) শহর নামে পরিচিত সর্বমহলে। বাংলাদেশের যতগুলি উপজেলা আছে বর্তমানে অত্র উপজেলায় বেশি বেকুর ভাড়ায় পাওয়া যায়। পৌর এলাকার পুরাতন বিদ্যুৎ অফিসের এর সামনে থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যক্তিমালিকানায় এ যন্ত্রটি ভাড়া দেওয়া হয়।

বেকুর মালিক আঃ ছাত্তার জানান, টাংগাইলের ঘাটাইল উপজেলায় ২০০০ সাল থেকে মুনসুর, খালিদ সামস ও শাপলা ইটভাটার মালিক  শাহজাহান সরকার প্রথম এ ব্যবসা শুরু করে। ইহা দ্বারা ইটভাটার মাটি কাটা, খাল খনন, মাটি ভরাট, পুকুর কাটা ইত্যাদি বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কালক্রমে  বিভিন্ন লোক এই ব্যবসাটির সাথে ওতপ্রতভাবে জড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে ঘাটাইল উপজেলা বেকুর জন্য বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে।

বর্তমানে এই উপজেলায় ৩০০শ উপরে বেকুর আছে। ৬০০-৬৫০ প্রতিঘণ্টা হিসেবে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলের লোক এসে ভাড়া নিয়ে যায়। বৎসরে তিনমাস এই ব্যবসা থাকে বলে বেকুর ব্যবসায়ী আঃ ছাত্তার জানান। এখান থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল যেমন-রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়া, ভেড়ামারা, আশুলিয়া, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুরে মাটিকাটার জন্য বেকুর মালিকরা ভাড়া দেন। ফিলিপাইন, চায়না, ইন্ডিয়ান, ইতালি, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া মাধ্যমে নান্নু কর্পোরেশন, পান্না কর্পোরেশন, এস.কে. বিল্ডার্স, আমদানি করে  চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লোকদের কাছে বিক্রি করা হয়। বিভিন্ন নামে কোম্পানি তৈরি করে থাকে-আই.এস.আই, হিটাসি, কোবিলকো, কাটু, সুমোটো, কামারশু, ক্যাট, সুরোকাওয়া, ইউনিক, তাইও বিভিন্ন নামে বা ব্র্যান্ডের বেকুর বাজারে পরিচিত। একটি বেকুর ১৫-২৫ লক্ষ টাকা দরে কিনি আনে ক্রেতারা।

আল্লাহরদান মটরস্ এর মালিক শাহিন জানান, যে সমস্ত এস্কিউভিউটর (বেকুর) বাইরের দেশে ৩ হাজার ঘণ্টা চালানো শেষে বিভিন্ন নামে কোম্পানি বাংলাদেশে আমদানি করে সেগুলো বিক্রি করা হয়।