মেইন ম্যেনু

ঘাস বিক্রি করেই সংসার চলে তাদের

ঘাস বিক্রি করেই সংসার চলে আদিবাসীসহ অনেকের। আয়ের জন্য মাঠ থেকে ঘাস সংগ্রহ করে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার আফতাবগঞ্জ হাটে এনে বিক্রি করে থাকেন অনেকে। জীবন জীবিকায় সংসারে ব্যাপক অবদান রাখছে এই ঘাস।

ঘাসের হাট বসে প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার। তবে প্রতিদিন বিকেলেও ওই হাটে ঘাস বিক্রি হয়। মুলত আদিবাসী মহিলারা এ ঘাঁস বিক্রি করার জন্য ছুটে যায় নবাবগঞ্জের আফতাবগঞ্জ হাটে। তবে এ ধরনের ঘাস বিক্রির হাট আর কোথাও আছে কিনা তা জানা নেই তাদের।

এই হাটে শতাধিক আদিবাসী প্রতিদিন মাঠ থেকে ঘাষ সংগ্রহ করে নিয়ে এসে বিক্রি করেন। হাটবারে কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকার ঘাস কেনা বেঁচা হয় বলে তারা জানিয়েছেন।

নবাবগঞ্জের কুশদহ ইউপির খালিপপুর গ্রামে ছকিনা হেমরম জানান, তারা প্রযোজনীয় আয়ের জন্য মাঠ থেকে ঘাস সংগ্রহ করে আফতাবগঞ্জ হাটে নিয়ে এসে বিক্রি করে থাকেন। এতে কিছুটা হলেও তারা সংসারের চাহিদা মেটাতে পারে।

গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের সুমিতা মুরমু জানান, উপজেলার সিংহ ভাগ আদিবাসী কৃষি কাজে শ্রম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। মাঠে কাজ না থাকলে সংসারের তাগিদে তারা হাট-বাজারে তখন ঘাঁস বিক্রি করেন।

জয়পুর ইউনিয়ন বিট টোলা গ্রামের মাজলি সরেনের জানান, তারা প্রতিদিন আফতাবগঞ্জ হাটে গো-খাদ্য হিসেবে ঘাঁস বিক্রয় করে ২শ’ থেকে ৩শ’ টাকা রোজগার করেন। যা দিয়ে তারা সংসারে যোগান দেন।

মুকুল, খোনশেদসহ কয়েকজন ঘাস ক্রেতা জানান, গরু মহিষ নিয়ে মাঠে চরানো সম্ভব নয়। তাই এই হাটে ঘাঁস কিনতে আসি। এখানে গো-খাদ্যের অনেক দাম।