মেইন ম্যেনু

ঘুমের ওষুধ মিশানো কোমলপানীয় পান করিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) ঘুমের ওষুধ মিশানো কোমলপানীয় পান করিয়ে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার শিকার তরুনী হরিনাথপুর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী।

এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদি হয়ে শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে ঐ ছাত্রীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পুলিশি হেফাজতে থানায় রাখা হয়েছে। তবে কাউকে আটক করা হয়নি।

ওসি জানায়, মামলায় গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের কুঞ্জ নাকাই গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে শফিকুল ইসলাম শফিক (৩০) কে প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।মেয়ের বাবা জানান, তার মেয়ে পলাশবাড়ী উপজেলার হরিনাথপুর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পড়াশুনা করার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই হাট এ্যাডভান্স কোচিং সেন্টারে দীর্ঘদিন ধরে পড়াশুনা করছে।

গত ২৮ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৫ টার দিকে কোচিং থেকে মেয়েটি কাগজ ফটোকপি করার জন্য নাকাই হাট বাজারের শফিকুলের কম্পিউটার ও ফটোকপির দোকানে যায়। পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে শফিকুল তাকে আপ্যায়ন করানোর কথা বলে কৌশলে ঘুমের ট্যাবলেট মিশানো কোমলপানীয় পান করায়। এতে মেয়েটি ঘুমিয়ে পরলে শফিকুল তাকে দোকান সংলগ্ন একটি কক্ষে নিয়ে উপর্যুপরি ধর্ষণ করে। এ সময় তার সহযোগি অজ্ঞাত ২/৩ জন বন্ধু মিলে মোবাইলে ধর্ষণের ভিডিও করে।

মেয়ের বরাত দিয়ে তার বাবা আরো জানান, পরে তার জ্ঞান ফিরে আসলে শফিকুল তাকে মোবাইলে ধারণ করা ধর্ষণের ভিডিও দেখায় এবং বিষয়টি প্রকাশ করলে ধর্ষণের ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। ধর্ষণের শিকার ছাত্রীটি লোক লজ্জায় বিষয়টি গোপন রাখার সুযোগ নিয় শফিকুল পুনরায় তাকে কুপ্রস্তাব দেয়। রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে শফিকুল তার ফেসবুক আইডিতে ধর্ষণের ভিডিও পোষ্ট করে।