মেইন ম্যেনু

ঘুরে ফিরে আলোচনায় মুশফিক

মুশফিক ফর্মে নেই, তাই বাংলাদেশও ফর্মে নেই-এমনটা ভাবাটা বোধকরি ভুল হবে না। চলতি সিরিজে মুশফিক ব্যর্থ হওয়ার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এরই মধ্যে ৩টি ম্যাচ হেরে গেছে বাংলাদেশ। ৩ ম্যাচে মুশফিকের সংগ্রহ ১৭, ১৯ ও ২৪ রান। খুব বেশি খারাপ নয়। তবু মুশফিকের নামের সঙ্গে বেমানান। তবে মুশফিকের এমন রান খরায় শঙ্কিত নন মাশরাফি। তিনি জানেন সময়মতো ঠিকই মিস্টার ডিপেন্ডেডেবল ফর্মে ফিরবেন।

তবে কবে ফর্মে ফিরবে এটা নিয়ে আলোচনা। তার ফর্মে না ফেরায় ভুগতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

মুশফিক প্রসঙ্গে শুক্রবার ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘মুশফিক গত ২টি বছর যেভাবে দলকে সার্ভিস দিয়েছে এটা অবিশ্বাস্য। মুশফিকতো মানুষ, ওর খারাপ সময় আসবেই, এটাই স্বাভাবিক। এটা সবাইকে মেনে নিতে হবে। সবাই যদি নাও মেনে নেয়, মুশফিককে নিতে হবে। খেলোয়াড়দের একজনের উপর নির্ভর করা সব সময় উচিত হবে না। টপ অর্ডার যারা ভাল শুরু করেছিল তাদের বড় ইনিংস খেললে মুশফিকের উপর একটু চাপটা কম পড়ে। মুশফিক ৩০ ওভারের পরে ব্যাটিং করলে ওর স্বাভাবিক শটসগুলো খেলতে পারে। তবে আমি এটাই বলব, মুশফিককে নিয়ে আমি এবং পুরো দলের কেউই চিন্তিত নই। আমাদের ভেতর সবচেয়ে বেশি প্রফেশনাল মুশফিক। এই বিষয়ে কোন ডাউট নেই। আমার বিশ্বাস সে ঘুরে দাঁড়াবে।’

সৌম্য ভাল শুরু করেও বড় করতে পারছেন না এই বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত কিনা এ প্রশ্নে মাশরাফি বলেছেন, ‘সৌম্য অনেক তরুণ। সৌম্য শুরুটা ভাল করছে, দূর্ভাগ্যবশত ইনিংসটাকে বড় করতে পারছে না। ওর সঙ্গে কোচ ও আমরা সবাই কথা বলেছি।’

অধিনায়ক হওয়ার পর সাফল্য পাচ্ছিলেন, এই সিরিজে এখনো সাফল্য নেই। সামনে ম্যাচগুলোতে এটা কি কোনো চ্যালেঞ্জ কিনা এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই এটা একটা চ্যালেঞ্জ। দেশের অধিনায়কত্ব করা অবশ্যই বড় চ্যালেঞ্জ। ব্যাক্তিগতভাবে বললে আমি এর আগে এর চেয়ে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছি। এটা নিয়ে আমি এতো ভীত নই।’