মেইন ম্যেনু

ঘুষের ভাগভাগি নিয়ে রাস্তায় পুলিশের মারামারি (ভিডিও)

পুলিশকে ঘুষ খেতে অনেকেই দেখে থাকবেন। রাস্তায় গাড়ি বের করলে ট্রাফিক পুলিশ লাইসেন্সের অজুহাত দেখিয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আদায় করে তারপর ছেড়ে দেয়। আবার পুলিশের থেকে কম যায় না চতুর গাড়িচালকরা। ধরেন দিনে যদি দুইবার ট্রাফিক পুলিশের কাছে ধরা খেয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দিতে হয় তাহলে মাসে ঘুষ বাবাদ দিতে হবে প্রায় ১৫ হাজার টাকা। কিন্তু যদি মাসে দুটো কেইস খায় তাহলে খরচ হবে মাত্র এক হাজার টাকা।

কাারণ একবার কেইস খাইলে ৫০০ টাকা দিতে হয় গাড়ির কাগজপত্র ছাড়িয়ে আনতে এবং সেই কেইসের মেমো দেখিয়ে ১৫ দিন বিনাঘুষে রাস্তায় গাড়ি চালানো যায়। অর্থাৎ কেইস খাওয়ার পর মেমোটি দেখালে আর কাউকে ঘুষ দিতে হয় না, এটা একটি বিশেষ সুবিধা। এটা বললাম বাংলাদেশের রাস্তায় পুলিশ এবং চালকদের ঘুষ বাটপারীর গল্প।

মালয়েশিয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধেও অভিযোগের অন্ত নেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের। মালয় পুলিশের কাছে হয়রানির শিকার হননি এমন বাংলাদেশি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। ওইদেশের পুলিশের বাকিতে ঘুষ খাওয়ার কাহিনীও রয়েছে বিস্তর।

এতোকিছুর পরও সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ভারতের। কারণ প্রায় সব দেশের পুলিশের ঘুষ খাওয়ার গল্প থাকলেও, ঘুষের ভাগাভাগি নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি করতে পুলিশকে নিশ্চয়ই কোনো দেশে কখনো দেখেননি। সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ভারতের দুই কীর্তিমান পুলিশকর্মীর খণ্ডযুদ্ধের এই ছবি।

লক্ষ্মৌর ইতুঞ্চ থানা এলাকায় প্রকাশ্যে দিবালোকে হঠাৎই মারামারি করতে দেখা গেল দুই পুলিশকর্মীকে। কাছে যেতেই বোঝা গেল ঘুষের ভাগাভাগি নিয়েই চলছে জোর লড়াই। মারামারি করতে করতে নর্দমাতেও একবার পড়ে গেলেন তারা। তবুও হুঁশ ফিরল না।

শেষ পর্যন্ত তাদের ঠেকাতে ছুটে গেলেন আরো তিন পুলিশ কর্মী। অনেক চেষ্টায় ছাড়ানো গেল তাদের। আর পুরো ঘটনাটি দেখতে রাস্তায় তখন তুমুল ভিড়। কেউ কেউ মোবাইলেও রেকর্ড করে নিলেন মজাদার এই দৃশ্যটি।

ঘটনাটি দিন কয়েক আগের হলেও সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ভিডিওটি। আর তারপরেই পুলিশের টনক নড়ে। অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মী বীরেন্দ্র যাদব ও অনুজের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে লক্ষ্মৌ পুলিশ।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন