মেইন ম্যেনু

ঘুষ দিয়ে এমপিওভুক্ত হলেন কম্পিউটার শিক্ষক ইমরান

দুর্নীতির দূর্গখ্যাত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ইএমআএস সালের দুজনকে ৩ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে জানুয়ারি মাসে এমপিওভুক্ত হয়েছেন মো: ইমরান হোসেন নামের একজন কম্পিউটার শিক্ষক। যদিও কম্পিউটার শিক্ষকদের এমপিওভু্িক্ত বন্ধ রয়েছে কয়েকবছর যাবত। ইমরানের এমপিওভুক্তি নিয়ে তোলপাড় চলছে সারাদেশে।

একজন পাঠকের মাধ্যমে প্রথমে এই তথ্যটি পাওয়ার পর অধিকতর অনুসন্ধান শেষে জানা যায়, ইমরান হোসেনের এমপিওভুক্তির জন্য রমজান নামের একজন দালালের হাতে ৩ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন।

মাউশি অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটে ইমরানের সিরিয়াল নং-১৯৭, জেলা ক্রমিক নং ১২। মাধ্যমিক স্কুলের প্যাটার্ন অনুযায়ী ২০১১ খ্রিস্টাব্দের ১৩ নভেম্বরের পর কম্পিউটার বিষয়ের অনুমতি প্রাপ্ত মাধ্যমিক স্তরে এমপিওভূক্ত বিদ্যালয়টির নাম জয়ঝাপ উচ্চ বিদ্যালয়। ইএইআইএন নম্বর:১০৮৮৬৭, ফরিদপুরের সালথা উপজেলা। ইমরানের পিতার হাকিম মাতুববর, মাতা তছিরন বেগম, জাতীয় পরিচয় পত্র নং ২৯১৬২৩৯৯৬৬৩৫৪।

কম্পিউটার বিষয় অনুমোদনের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৫। কম্পিউটার বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে ইমরান যোগ দিয়েছেন ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ১৩ জুন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, যশোরের মনিরামপুর উপজেলা থেকে আগত এমপিও দালাল এই রমজান অপর একটি সরকারি অফিসের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হলেও তাকে দেখা যায় শিক্ষা অধিদপ্তরের কলেজ পরিচালক অধ্যাপক ড. শেখ মো. ওয়াহেদুজ্জামান, মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক মো. এলিয়াছ হোসাইন ও সহকারি পরিচালক এ টি এম আল ফাত্তাহ কক্ষে খোশগল্পে মেতে থাকতে।

খুলনার কয়রা উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বদলিও জন্যও ২ লাখ টাকা নিয়েছেন এই রমজান।

শিক্ষা অধিদপ্তর ও জেলা পর্যায়ের এমপিও দালালদের মাধ্যমে প্রতিমাসে্ এমপিও খাতে কয়েককোটি টাকার লুটপাট হয় কিন্ত কখনো ভুল হয়েছে, কখনো আমরাই ঘুষ ধরতে পেরেছি, ব্যবস্থা নিব নিচ্ছি, দুদকে মুদকে দিয়েছি ইত্যাদি বলে পার পেয়ে যাচ্ছেন সরকারি শিক্ষা ভবনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা। দৈনিকশিক্ষা