মেইন ম্যেনু

ঘৃতকুমারীর শরবতে অনেক উপকার

তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে চাই সাবধানতা। এমন দিনে সুস্থতার সঙ্গে রোজা পালনে চাই আরও বেশি সাবধানতা। সুস্থতার সঙ্গে সুন্দরভাবে রোজা রাখতে পর্যাপ্ত তরল খাবার, উপযুক্ত পানীয় উপযোগী। সেক্ষেত্রে প্রধান উপকরণ হতে পারে ঘৃতকুমারীর শরবত। কারণ, আপনার শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে দেহের নানাবিধ রোগ সারাতে প্রতিদিন একগ্লাস ঘৃতকুমারীর শরবত খুবই উপকারী। আসুন জেনে নেয়া যাক এই রোজায় ঘৃতকুমারীর শরবত আপনার কী উপকার করতে পারে।

– দেহের পানিশূন্যতা দূর করতে ঘৃতকুমারীর শরবত খুবই উপকারী। গরমের দিনে রোজায় সুস্থ থাকতে নিয়মিত ঘৃতকুমারীর শরবত খেতে পারেন।

– হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে ঘৃতকুমারীর শরবত। ঘৃতকুমারীর রস রক্তের সঙ্গে মিশে অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। এতে আমাদের হৃদপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়।

– দেহের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা উন্নত করে ঘৃতকুমারী। গবেষণায় দেখা যায় যারা নিয়মিত ঘৃতকুমারীর রস পান করেন তাদের দেহের ইমিউন সিস্টেম অন্যান্যদের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি উন্নত থাকে। ঘৃতকুমারীর রস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

– প্রতিদিন ১ গ্লাস ঘৃতকুমারীর শরবত দেহের সাদা রক্ত কনিকা বাড়ায়।

– হজম শক্তি বৃদ্ধি করে অনেকেই হজমের নানা সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাদের জন্য ঘৃতকুমারীর শরবত মহাঔষধ হিসেবে কাজ করে থাকে।

– ঘৃতকুমারী কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ডায়রিয়া জনিত সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করে।

– ওজন কমানোর জন্য কত কিছুই না করতে হয়। তবে খুব সহজে ওজন কমবে ছোট একটা অভ্যাস গড়ে তুললে। প্রতিদিন নিয়ম করে এক গ্লাস ঘৃতকুমারীর শরবত ওজন কমাতে সক্ষম পুরোপুরি। ঘৃতকুমারীর লিপিডের স্তর কমিয়ে মেদ ঝরিয়ে ফেলে অতি দ্রুত।

– ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিয়মিত ঘৃতকুমারীর শরবত পান করা বেশ ভালো সমাধান। কেননা শরীরে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে এর জুড়ি মেলা ভার।

– প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস পানিতে এক টেবিল চামচ ঘৃতকুমারীর জেল মিশিয়ে পান করা উত্তম। বদহজম কিংবা আলসারের সমস্যায় এটি খুব ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করবে।