মেইন ম্যেনু

চট্টগ্রামে আইএসডিই’র শিশু শিক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শনে এসাইনমেন্ট অফিসার শামসুল হক

চট্টগ্রাম শহরের ঝাউতলা, ওয়ারলেস কলোনী, সেগুনবাগান, রউফাবাদ কলোনীর সুবিধাবঞ্চিত, ছিন্নমুল ও উদবাস্তু শিশুদের মাঝে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, ২য় থেকে ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য কোচিং, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পয়ঃ প্রনালী বিষয়ক শিক্ষাদানে নিয়োজিত স্থানীয় বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সমাজ উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই বাংলাদেশ পরিচালিত সক্রেটিস লানিং সেন্টার পরিদর্শন করেছেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর এসাইনমেন্ট অফিসার শামসুল হক। ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭ইং চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলসী থানাধীন সর্দার বাহাদুর নগর বিহারী ক্যাম্প এলাকায় পরিচালিত সক্রেটিস লানিং সেন্টারে এ পরিদর্শন করেন। এ উপলক্ষে ঝাউতলা বিহারী ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য নেছার আলী, আইএসডিই বাংলাদেশ এর কর্মসুচি সমন্বয়কারী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন। এনজিও ব্যুরোর এসাইনমেন্ট অফিসার শামসুল হক এ সময় শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে কথা বলেন। তিনি আইএসডিই এর শিশু শিক্ষা কর্মসুচির ভুয়াসী প্রশংসা করে অসহায়, সুবিধা বঞ্চিত ছিন্নমুল শিশুদের শিক্ষার আলো বিস্তারে আইএসডিই এর প্রাক-প্রাথমিক ও কোচিং শিক্ষা কর্মসুচির জন্য সংস্থার উদ্যোগকে স্বাগত জানান। শিশু শিক্ষার মতো এ জনগুরুত্বপূর্ন মানবিক কার্যক্রমে দাতা সংস্থা ও জড়িত অন্যান্যদের এ ধরনের মানবাতাবাদী কার্যক্রমের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং আশা করেন এ ধরনের কর্মকান্ড আগামিতে আরো সম্প্রসারণ হবে।

উল্লেখ্য চট্টগ্রামের বিহারী কলোনীর মধ্যে অন্যতম হলো রৌফাবাদ ও ঝাউতলা, সেগুন বাগান ও ওয়ারলেস কলোনী যা সর্দার বাহাদুর নগর(এসবি নগর) বিহারী কলোনীর ১ হাজার দুইশত শিশুর জন্য প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ও ২য় থেকে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত কোচিং সুবিধা চালু করেছে স্থানীয় বেসরকারী উন্নয়ন সংগঠন আইএসডিই বাংলাদেশ। যুক্তরাস্ট্র ভিত্তিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান ডু পিস এর সহযোগিতায় এ ২টি বিহারী পল্লীতে ৬টি মাল্টি লানিং সেন্টারের মাধ্যমে ১২জন শিক্ষিকার মাধ্যমে প্রতি ব্যাচে ৩০ জন করে শিক্ষার্থী ৩ ঘন্টা করে ক্লাসের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। আইএসডিই বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে শিক্ষা উপকরণ বিশেষ করে বই, শ্লেট, পেন্সিলসহ অন্যান্য উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে। একই সাথে ২য় থেকে ৫ম শ্রেনীর দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য সান্ধ্যকালীন কোচিং এর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর ফলে কোমলমতি শিশুরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়ার হার কমে যাচ্ছে এবং স্কুলে উপস্থিতি বাড়ছে। প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবার পর থেকে স্থানীয় অভিভাবক বিশেষ করে নারী অভিভাবকদের মাঝে তাদের সন্তানদের শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে উপলদ্ধি বেড়েছে। অনেকেই তাদের সন্তানদের শিক্ষা দানের বিষয়ে আগ্রহী হয়ে উঠছে, বিশেষ করে আধুনিক শিক্ষায় আগ্রহী হয়ে উঠেছে। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় খেলা ধুলায় শিক্ষা ও বিনোদন যুক্ত করায় কোমলমতি শিশুরা আনন্দের মাধ্যমে শিক্ষা লাভে সক্ষম হচ্ছে।