মেইন ম্যেনু

চট্টগ্রামে গরু কিনলে তেল ফ্রি

চট্টগ্রাম মহানগরী এবং বিভিন্ন উপজেলায় কোরবানির পশুর ব্যাপক সরবরাহ থাকলেও বিক্রি এখনো আশানুরূপ জমেনি। বিভিন্ন হাটে বিক্রেতারা গরু নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতার দেখা পাচ্ছেন না। এই অবস্থায় চট্টগ্রামের রাউজানের নোয়াজিশপুর ইউনিয়নে পশুর হাটে ক্রেতাদের উদ্বুদ্ধ করতে বাজার কমিটি গরুর ক্রেতাদের ৫ লিটার করে সয়াবিন তেল ফ্রি দিচ্ছে।

কোরবানি ঈদ উপলক্ষে এই ইউনিয়নের ফতেহনগর চৌমুহনীতে প্রথমবারের মতো এবার পশুর হাট বসেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এবার রাউজানের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে গরুর হাট বসতে দিচ্ছে না প্রশাসন। স্থানীয় সাংসদ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে মেনে চলতে এলাকাবাসীর প্রতি অনুরোধ করেন। যানজট সৃষ্টি হবে না- এমন স্থানে ও খোলা মাঠে পশুর হাট বসানোর জন্য এলাকার মানুষকে পরামর্শ দেন।

রাউজানের নোয়াজিশপুর হাটে গরু ক্রেতারা জানিয়েছেন এই হাট থেকে একটি গরু কিনলে ক্রেতারা ৫ লিটার সয়াবিন তেল ফ্রি পাচ্ছেন। গরু কিনে গরুর হাসিল পরিশোধ করার পর ক্রেতাদের হাতে এই তেলের কন্টেইনার তুলে দিচ্ছে বাজার কমিটি।

এদিকে কোরবানির ঈদের আর দুদিন বাকি থাকলেও গরুর হাটে আশানুরূপ গরু বিক্রি হচ্ছে না বলে বিভিন্ন বাজার ঘুরে জানা গেছে। হাটগুলোতে ভারতীয় গরুসহ বিভিন্ন বাজারে হাজার হাজার দেশি গরুর সরবরাহ লক্ষ করা গেছে। বিক্রেতারা বলছেন, কোরবানির হাটে পশুর সংকটের বিষয়টি কয়েকদিন আগে আলোচিত হলেও এখন বাজারে ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগরীর বিবিরহাট বাজারের গরু ব্যবসায়ী সোলতান মিয়া জানান, তিনি উত্তরবঙ্গ থেকে ২০টি গরু নিয়ে বিবিরহাট বাজারে এসেছেন গত রোববার। মঙ্গলবার পর্যন্ত তার মাত্র ২টি গরু বিক্রি হয়েছে। এই বিক্রেতা জানান, বাজারে অনেক গরু কিন্তু আশানুরূপ ক্রেতা নেই। হাটের শেষ মুহূর্তে গরুর দামে ধস নামার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিক্রেতারা।

এদিকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রোয়াজারহাট কোরবানির হাটে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখানে হাজার হাজার পশু উঠেছে। এখানেও একই অভিযোগ বিক্রেতাদের। ক্রেতার চেয়ে বাজারে দর্শনার্থী বেশি। তবে বিক্রেতারা আশা করছেন, মঙ্গলবার থেকে কোরবানির হাট জমে উঠবে।