মেইন ম্যেনু

রাউজানে দু’শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হলো হালদা সেতু

চট্টগ্রামে হালদা সেতুর উদ্বোধন : চারটি ব্রীজ নির্মানাধীন

চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কে আটটি ঝুকিঁপুর্ণ ব্রীজের চারটির নির্মান কাজ শেষ হয়ে নির্বিগ্নে যান চলাচল করছে। এ চারটি কাজ শেষ হওয়ার পর আরো চারটি ব্রীজের নির্মান কাজ শুরু সড়ক ও জনপথ বিভাগ। জানা যায়, জেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রেলপথ মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি’র প্রচেষ্টায় আটটি ঝুকিঁপুর্ণ ব্রীজের মধ্যে চারটি ব্রীজের নির্মান কাজ শেষ হওয়ার পর আরো চারটি ব্রীজের নির্মান কাজ চলছে নব নির্মিত চারটি ব্রীজ দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু করেছে। চট্টগ্রাম নগরী ও হাটাহাজারী উপজেলা-রাউজান উপজেলার উপর দিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মহাসড়কটি রাক্সগুনিয়া উপজেলার রানীর হাট হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের কাউখালী উপজেলা হয়ে রাঙ্গামাটি শহরে গিয়ে শেষ হয়। এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত যাত্রী বাহি বাসে করে হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। সড়কটির হাটাহাজারী উপজেলার চুবেদার পুকুর পাড় এলাকা, চারাবটতল এলাকা, ইছাপুর এলাকা, রাউজান হাটাহাজারী উপজেলার সীমানতবর্তী এলাকায় সর্তার ঘাটস্থ দু’শত কোটি টাকা ব্যয়ে হালদা নদীর উপর নির্মিত হালদা সেতু গতকাল সোমবার উদ্বোধন করেন এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি। এছাড়াও রাউজান উপজেলার পশ্চিম গহিরা ইউনুচ মিয়া চৌধুরী ঘাটা ব্রীজ,রাউজান উপজেলার গহিরা বড়পোল এলাকায় কেওচিয়া খালের উপর ব্রীজ, সুলতানপুর জানালী হাটের পার্শ্বে ডাবুয়া খালের উপর ব্রীজ, সুলতান পুর বেরুলিয়া খালের উপর ব্রীজ ছিল ঝুকিপুর্ণ। এই আট ব্রীজ ঝুকিপুর্ণ হওয়ায় হাজার মানুষ ও পণ্যবাহি ট্রাক চলাচল করতো জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে। সড়কের এইসব ঝুকি পুর্ণ ব্রীজ দিয়ে যানবাহন চলাচলের সময় অনেক সময়ে দুর্ঘটনা সংগঠিত হতো। এই আট ঝুকিপুর্ণ ব্রীজ প্রশস্থ কম হওয়ায় অনেক সময়ে যানবাহন চলাচলে ঘন্টার ঘন্টা যানজট লেগেই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী হাজার হাজার মানুষের চরম দুভোর্গ পোহাতে হতো। রেলপথ মন্ত্রনালয় স¤র্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি’র প্রচেষ্টায় আট ঝুকিপুর্ণ ব্রীজের নির্মান কাজ শুরু করে ঠিকাদারের মাধ্যমে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। আটটি ব্রীজের মধ্যে হাটহাজারীর সুবেদার পুকুর, চারাবটতল, ইছাপুর, সর্তার ঘাটস্থ হালদা নদীর উপর হালদা সেতু সহ চারটি ব্রীজের নির্মান কাজ শেষ হয়। চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মহাসড়কের আটটি ব্রীজের নির্মান কাজ শেষ হলে রাঙ্গামাটি জেলার ও চট্টগ্রামের রাউজান হাটহাজারী এলাকা ও উত্তর রাক্সগুনিয়া এলাকার হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতে দুর্ভোগ চিরতরে লাঘব হবে। এছাড়া ও পর্যটন শহর রাঙ্গামাটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের যাতায়াত সহজ হবে। রাউজান উপজেলা আ’লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর একান্ত প্রচেষ্টায় চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মহাসড়কের আটটি ঝুকিঁপুর্ণ ব্রীজের মধ্যে চারটি ব্রীজের নির্মান কাজ শেষ করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। আরো চারটি ব্রীজের নির্মান কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মহাসড়কের আটটি ঝুঁকিপুণ ব্রীজ নির্মান করা প্রসঙ্গে রেলপথ মন্ত্রনালয় স¤র্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি বলেন, রাউজান উপজেলা ও উত্তর চট্টগ্রামে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের দীঘদিনের যে দুভোর্গ ছিল তা লাঘব করতে ও পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির সাথে চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে আটটি ঝুঁকিপুণ ব্রীজ নির্মান করা হচ্ছে ও সড়কের প্রশস্থকরন করা হয়েছে। গতকাল সকালে উদ্বোধন করেছেন রেলপথ মন্ত্রনালয় স¤পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ.লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বেবী, আ.লীগ নেতা কামাল উদ্দিন, পৌর প্যানেল মেয়র বশির উদ্দিন খান, কাজী মো. ইকবাল, আলমগীর আলী, চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সরোয়ার্দী সিকদার, কাজী দিদারুল আলম, ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, মাহাবুল আলম প্রমূখ।