মেইন ম্যেনু

চট্টগ্রাম টেস্ট বন্ধ করার হুমকি দিয়েছিলেন ম্যাচ রেফারি

চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রামের দর্শকদের বিরুদ্ধে। ভেন্যু ম্যানেজার জানিয়েছেন, ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড খেলা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন।

বুধবার টেস্টের দ্বিতীয় দিনে লাঞ্চের পর থেকে দিনের বাকি সময় একটু পরপরই গ্যালারি প্রকম্পিত হয়েছে মাইকের শব্দে। দর্শকদের বর্ণবাদী আচরণের ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বারবার। স্টেডিয়ামের বড় পর্দাতেও বর্ণবাদ বিরোধী ঘোষণা দেখানো হচ্ছিল বারবার। এমনিতে এ ধরণের ঘোষণা দেওয়া নিয়মিত ব্যাপার। কিন্তু এদিন বারবার ঘোষণা হওয়াতেই তা দৃষ্টি কাড়ে অনেকের।

পরে কারণ ব্যাখ্যা করলেন জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের ভেন্যু ম্যানেজার ফজলে বারী রুবেল।

“গ্যালারি থেকে কিছু দর্শক দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের উদ্দেশ্যে কটূবাক্য বলেছে। লাঞ্চের আগে আগে তামিম ইকবালকে ধাক্কা দিয়েছিলেন কুইন্টন ডি কক। এতেই হয়ত দর্শকেরা একটু ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। গ্যালারি থেকে চেঁচিয়েছেন অনেকে। সমস্যা হয়েছে, দু-একজন আবার ‘ব্ল্যাক, ব্ল্যাক’ বলেও চিৎকার করেছে। পরে লাঞ্চের বিরতিতে ওদের নেট প্র্যাকটিসের সময়ও কয়েক জন দর্শক একই কাজ করেছে।”

স্বাভাবিকভাবেই এটি সহজভাবে নিতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা দল। অভিযোগ জানায় তারা ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রডের কাছে। বর্ণবাদী আচরণের ব্যাপারে বরাবরই কঠোর আইসিসি, এই ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয় না একটুও। ক্রিস ব্রডও তখন ব্যবস্থা নিতে বলেন বিসিবিকে, জানালেন ভেন্যু ম্যানেজার।

“ঘটনাটি এমন বড় কিছু নয়। আমরা ম্যাচ রেফারিকে সেটা বোঝাতে সক্ষম হই। উনি তখন বলেন, আরেকবার এ রকম হলে তিনি খেলা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবেন। তারপরই আমরা বারবার ঘোষণা দিয়েছি মাঠে, বড় পর্দায়ও দেখানো হয়েছে। আর কোনো সমস্যা হয়নি।”

ভেন্যু ম্যানেজার এটিকে বিচ্ছিন্ন একটি ঘটনা হিসেবে দাবি করছেন।

“চট্টগ্রামের দর্শকের আচরণ এমনিতে সবসময়ই ভালো। সুনামও আছে অনেক। মাঠে অনেক দর্শকের মধ্যে দু-একটা বাচ্চা ছেলে হয়ত এরকম করেছে। আমরা ব্যবস্থা নেওয়ার পর আর কিছু হয়নি। আমাদের বিশ্বাস আর কখনো এমন কিছু হবে না।”বিডিনিউজ24