মেইন ম্যেনু

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জিমনেসিয়াম ভবন উদ্বোধন

সুদীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নান্দনিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য আর পাহাড়ে ঘেরা নব-নির্মিত জিমনেসিয়াম ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে,যা দেশের অন্যতম বৃহত্তম।প্রতিষ্ঠার প্রায় চার যুগ পরে বর্তমান সরকারের তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয় এ জিমনেসিয়াম। একই সাথে যাত্রা শুরু করেছে ফিজিক্যাল এডুকেশন এন্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগ।

রোববার সকাল সাড়ে এগার টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী এর উদ্বোধন করেন। নব-নির্মিত জিমনেসিয়াম ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কামরল হুদার সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন,কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন ও ডিন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল মনছুর ও সাধারণ সম্পাদক ড. কাজী এস এম খসরল আলম কুদ্দুসী, শাহজালাল হলের প্রভোস্ট ও প্রভোস্ট কমিটির আহবায়ক এবং চবি. সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. সুলতান আহমেদ, প্রক্টর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী।

12042006_908201755894668_1528292361_n

মাননীয় উপাচার্য তাঁর ভাষণে বলেন শিক্ষার্থীদের শরীর চর্চা ও ক্রীড়া অনুশীলনের সুযোগ-সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে সকলের দীর্ঘদিনের কাঙ্খিত আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত জিমনেসিয়াম আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে।আজকের দিনটি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য একটি আনন্দঘন মুহুর্ত।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র দেশে নয়, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া অঙ্গনেও তাদের কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হবে।

জানা যায়, খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া উন্নয়নে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে ৩২ হাজার বর্গফুটের দ্বিতল এ ভবন নির্মাণে ব্যায় হয়েছে ১০ কোটি টাকা । ২০১৩ সালের শুরুর দিকে নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে শেষ হয় কিছুদিন আগে।১৯৭৬ সালে তৎকালীন সরকার জিমনেসিয়াম নির্মাণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়।কিন্তু তৎকালীন ভিসি নিয়ম বর্হিভূত খরচ করেন।১৯৮৬ সালে মার্শাল কোর্টে তৎকালীন ভিসিসহ জড়িতদের শাস্তিও হয়।