মেইন ম্যেনু

চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী অপহরণের ৮ঘন্টা পর উদ্ধার ॥ আটক ২

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার রামদিয়া সরকারী প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে থেকে শনিবার দুপুরে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী অপহরন হয়। অপহরনের ৮ঘন্টা পর বালিয়াকান্দি থানা পুলিশ অপহৃত ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার (৯) কে উদ্ধার করেছে। এসময় পুলিশ ২জন অপহরনকারীকে গ্রেফতার করেছে।

অপহৃত স্কুল ছাত্রীর মামা মাসুদ মোল্যা জানান, ইসলামপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের বাড়ীতে রেখে তার ভাগ্নি সুমাইয়া আক্তারকে রামদিয়া সরকারী প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করায়। সে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী। তার পিতার সেলিম সরদার। বাড়ী রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানগঞ্জ গ্রামে। শনিবার দুপুরে স্কুলের টিফিনের সময় একটি মাইক্রোবাস এসে স্কুল গেইটে দাড়ায়। ভিতর থেকে জনৈক ব্যাক্তি ওই ছাত্রীকে একটি ঠিকানা হাতে ধড়িয়ে পড়ে দেওয়ার কথা বলে মুখ চেপে ধরে মাইক্রো বাসে তুলে নেয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশকে জানিয়ে একটি সাধারন ডায়রী করা হয়। বিকালে জানাযায় কুষ্টিয়া কোতয়ালী থানায় এক শিশুসহ ২অপহরনকারীকে আটক করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হয়ে বালিয়াকান্দি থানা পুলিশকে সাথে নিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়।

অপহৃত ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার জানায়, স্কুলের সামনে থেকে মাইক্রোবাসে তুলে নেয় ৩জন অজ্ঞাত অপহরনকারী। গাড়ীর মধ্যে নিয়ে তাকে জোড়পুর্বক বিস্কুট খাইয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। তাকে পাংশা রেলষ্টেশন থেকে ট্রেনে উঠলে তার জ্ঞান ফিরে আসে। এসময় সে আর ওই তিন অপহরনকারীকে দেখতে পায় না। তবে তাকে ধরে রাখে গ্রেফতারকৃত ২জন ভিকারী বেশি অপহরনকারী। তার সাথে কথা বলার সময় জিআরপি পুলিশের নজরে পড়লে সন্দেহজনক তাকে জিজ্ঞাসাবাদে অপহরনের বিষয়টি খুলে বললে কুষ্টিয়া থানা পুলিশে সোপর্দ করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বালিয়াকান্দি থানার এস,আই জামাল হোসেন জানান, অপহরনের পর পুলিশী ব্যাপক অভিযানে অপহরনকারী চক্রের ২ সদস্য কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার সিঙ্গগুরে গ্রামের ইয়াদ আলী মোল্যার ছেলে নুর আলী মোল্যা (৬৫), তার স্ত্রী জহুরা বেগম (৫০) কে আটক করা হয়। এসময় অপহৃত শিশু সুমাইয়াকে উদ্ধার করা হয়। এব্যাপারে ওই ছাত্রীর মামা মাসুদ মোল্যা বাদী হয়ে বালিয়াকান্দি থানায় মামলা দায়ের করেছে।