মেইন ম্যেনু

চমকে ওঠাবেন আপনিও, ইতিহাস গড়লেন দম্পতি!

ইতিহাস গড়লেন দম্পতি। আপনার কাছে মনে হতে পারে, এটি বোধ হয় রূপকথার গল্প। কিন্তু বাস্তবেই তাদের ক্ষেত্রে এমন কিছু ঘটেছে তা শুনলে চমকে উঠবেন আপনিও। মিউচুয়্যাল ফ্রেন্ডের পেজে আলাপ। সেখান থেকে একে অপরকে চিনে নেওয়া। তার পরে প্রেম। শেষে বিয়ে। বিষয়গুলি যত দ্রুত বলা যায় বাস্তবতা কিন্তু ভিন্ন। এই প্রতিটি ধাপে তাদের ক্ষেত্রে ঘটেছে চমকপ্রদ ঘটনা। সেকারণেই প্রত্যেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাদের। বাদ যাননি সেই মিউচুয়াল বন্ধুও।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধুত্বের বয়স মাত্র এক বছর। তাও নিয়মিত চ্যাটিং করতেন না দু’জনের কেউই। আলাপটাও ভারি অদ্ভুতভাবে। কেউই কারওকে চিনতেন না। মিউচুয়্যাল ফ্রেন্ডের পেজে আলাপ। তাকে অবশ্য ঠিক পরিচয় বলা যায় না। বন্ধুর পেজে একটি কমেন্ট থেকে দু’জনের কথার সূত্রপাত।

একে অপরকে সামনা-সামনি দেখেননি কখনও। ফোনে কথা হয়নি, তাই শোনা হয়নি কন্ঠস্বরও। শুধুমাত্র চ্যাটিংয়েই চলেছে মন দেওয়া-নেওয়া। প্রতি মুহূর্তে দুজনেই অনুভব করছিলেন, কী ভীষণ মানসিক মিল তাঁদের। নিউইয়র্কের বাসিন্দা এরিকা হ্যারিস একা থাকলেও ক্যালিফোর্নিয়ার আর্তে ভ্যান তিন সন্তানের জননী।

নেহাত গল্পের ছলে নিজেদের সবটাই জেনে নিয়েছিলেন তাঁরা। তার পরে একদিন হঠাৎ-ই দেখা করার ইচ্ছেয় বাড়ি ছাড়লেন হ্যারিস। শুধু বাড়ি নয়, ছুটি পাচ্ছিলেন না বলে চাকরিও ছেড়ে চলে এলেন ক্যালিফোর্নিয়ায়। সব ছেড়ে শুধু একবার দেখা করতে আসা হ্যারিসকে রিসিভ করতে এয়ারপোর্টে আসেন আর্তে।

তার পরের গল্পটা ইতিহাস। একে অপরকে দেখে কিছুক্ষণের জন্য স্তব্ধ হয়ে যান দু’জনেই। ছল ছল চোখে জড়িয়ে ধরলেন। এয়ারপোর্ট থেকে বাড়ি নয়, হোটেল নয় — সোজা ম্যারেজ রেজিস্ট্রি অফিসে পৌঁছন এই যুগল। মাত্র একবারের দেখাতেই তাঁদের বিয়ের খবর ইতিমধ্যে সোশ্যাল দুনিয়ায় ভাইরাল। প্রত্যেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রাণভরে। বাদ যাননি সেই মিউচুয়াল বন্ধুও।