মেইন ম্যেনু

চরফ্যাশনের নিম্মাঞ্চল প্লাবিত, জোয়ারের পানিতে ডুবে সাত স্কুল শিক্ষার্থী অসুস্থ্য

টানা বর্ষণের পাশাপাশি ঘুর্ণিঝড় কোমেন ও পূর্ণিমার জোর প্রভাবে ভোলার চরফ্যাশনের নদনদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪/৫ ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্মাঞ্চল তলিয়ে গেছে। জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে সাত স্কুল শিক্ষার্থী।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার কুকরী-মুকরী ইউনিয়নের চরপাতিলা গ্রামের শরীফ পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাত শিক্ষার্থী জোয়ারের পানিতে ভেসে যায়। পরে কুকরী-মুকরী ইউপি চেয়ারম্যান হাসেম মহাজনের সহায়তায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চরকচ্ছপিয়া গণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করেন, এবং পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করেন ।

ভর্তি হওয়া শিক্ষাথীরা হলো, চরপাতিলা গ্রামের ৮নং ওয়ার্ড এর মো. নোমানের শিশু কন্যা প্রথম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ফারজানা(৬),মো. নূরে আলমের কন্যা মোসাঃ সালমা(৬),মো.ইমাম হোসেনের কন্যা মোসাঃ ইমা (৬), মো. আঃ সাত্তারের ছেলে জাবেদ(৬), মো. কিতাব আলীর কন্যা লিমা(৬), নেছার মাঝীর কন্যা দ্বিতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী সুমাইয়া(৭), ও মো. হানিফের কন্যা সান্তা (৭),। তাদের মধ্যে শান্তা ও সুমাইয়ার অবস্থা আশংকা জনক। এঘটনার জন্য স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব অবহেলা অভিযোগ তুলেছেন অভিবাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

এ প্রসংঙ্গে প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জোয়ার আসার আগে বাগেই স্কুল ছুটি দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থী খেলা ধুলা করতে গিয়ে দূর্ঘটনার কবলে পড়ে। এদিকে এ দূর্ঘটনার খবর পেয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দায়িত্বে থাকা লালমোহন উপজেলার নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেনসহ চরফ্যাশন উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবদিন আখন, চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মো. মনির হোসেন শুভ্র,উপজেলা প্রাথমিক শিাক্ষা অফিসার জালাল আহম্মেদ অসুস্থ্য শিক্ষার্থীদের দেখতে চরকচ্ছপিয়া গণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জান।এবংঅসুস্থ্য শিক্ষার্থীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন।

এ দিকে জোয়ারের পানিতে পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। ফসলি জমি, ঘরবাড়ি, পুকুর ও মাছের ঘের তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন অনেকেই। পঁচে যাচ্ছে ম্যানগ্রোভ বনের গাছের চারা ও আমনের বীজ তলা।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ নির্বাহী প্রকৌশলী ( ভারপ্রাপ্ত) কাইছার আহম্মেদ জানান, পূর্ণিমার জোর প্রভাবে শনিবার মেঘনার পানি বৃদ্ধি পেয়ে কিছু নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।