মেইন ম্যেনু

চরম একঘেয়েমিতে আক্রান্ত মানুষের ৮টি বৈশিষ্ট্য

মানুষের অনেক আচরণ রয়েছে যার দ্বারা বোঝা যায় তিনি একঘেয়েমিতে ভুগছেন। কেউ বিরক্তিকর একঘেয়ে ব্যক্তিত্বের হলে তিনি অন্যের চোখেও বিরক্তিকর ঠেকে। সোশাল মিডিয়া ‘কুয়োরা’-তে অনেকেই জানিয়েছেন চরমভাবে একঘেয়েমিতে ভোগা মানুষের বৈশিষ্ট্যের কথা।

১. এ ধরনের মানুষের আলাপচারিতায় কোনো ভারসাম্য থাকে না। তারা নিজেদের কথা-বার্তাতে অসংলগ্ন, আবার কারো কথা শুনতেও মনোযোগী নন।

২. একঘেয়েমিতে আক্রান্ত মানুষ অন্যের অঙ্গভঙ্গি ধরতে পারেন না। শুধু বক্তব্যই নয়, মানুষের দৈহিক আচরণেরও অনেক কিছু প্রকাশ যায়।

৩. এ ধরনের মানুষরা অন্যকে হাসাতে পারেন না। যেকোনো বিষয়ের মধ্য থেকে ইতিবাচক অংশ বের করে এনে তাকে সবার নজরে আনা যায়। এ কাজের ক্ষমতা একঘেয়ে মানুষের মধ্যে থাকে না। তাই তারা মজার বিষয়েও আগ্রহ পান না এবং অন্যকেও আগ্রহী করে তুলতে পারেন না।

৪. এরা একই কাজ বারবার করতে থাকেন। ধরুন একজন মানুষ এক সময় বই পড়েন। অন্য সময় ঘুরতে যান বা সিনেমা দেখেন। কিন্তু একঘেয়ে মানুষগুলো প্রতিদিন একই কাজে সময় ব্যয় করেন। বৈচিত্র্যের প্রতি তাদের কোনো আকর্ষণ থাকে না।

৫. সমাজের নানা ঘটনায় মানুষ একটা অবস্থান নিয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু কোনো কিছুতেই একঘেয়ে মানুষগুলোর করার কিছু থাক না। তারা নিজের বক্তব্য নিয়ে দাঁড়ান না এবং কোনো সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এগিয়েও আসেন না।

৬. এরা মত প্রকাশে আগ্রহী থাকেন না। তাদের কোনো বিষয়ে আদৌ মতামত রয়েছে বলে মনেও হয় না। তারা শুধু অন্যের দিকেই চেয়ে থাকেন।

৭. এ মানুষগুলো একটি ঘটনা সুন্দরভাবে গুছিয়েও বলতে পারেন না। তাদের কাছে ভালো কোনো গল্প নেই। তাদের মাঝে কোনো বিষয়ে আগ্রহও নেই।

৮. এরা অন্যে দৃষ্টিতে কিছু বিবেচনা করতে পারেন না। অন্য একজন কোনো বিষয়কে কিভাবে দেখছেন তা ধরার ক্ষমতা এদের নেই।
সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার