মেইন ম্যেনু

চর্মরোগ ও ক্লান্তি দূর করে শাকসবজি

শাকসবজিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, লৌহ, আয়োডিন, শর্করা, আঁশ, খনিজ পদার্থ ও স্নেহজাতীয় উপাদান রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ও শক্তি যোগাতে খুবই উপকারী। আপনার ডায়েট থেকে যদি শাকসবজি বাদ পড়ে থাকে তাহলে এখনই সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শাকসবজি রাখার।

শাকসবজির অভাবে আমাদের শরীরে বিভিন্ন রোগ এবং সমস্যা তৈরি হয়। কীভাবে বুঝবেন আপনার শরীরে শাকসবজির ঘাটতি রয়েছে। আপনার শরীরে যদি নিচের উপসর্গগুলো দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে শাকসবজির ঘাটতি রয়েছে।

আপনি সবসময় ক্ষুধার্ত থাকেন: প্রচুর পরিমাণে মাংস খেলে ক্ষুদ্র পুষ্টির ঘাটতি এবং ক্ষুধা তৈরি করে। শাকসবজি আপনার শরীরে পূর্ণতা যোগায় এবং অন্ত্র খালি হতে সময় নেয়। যা আপনাকে দীর্ঘ সময় ক্ষুধামুক্ত রাখে।

আপনি অবসন্ন বা ক্লান্ত: শাকসবজি ফিটো কেমিক্যালস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স সরবরাহ করে। এর অভাবে মস্তিষ্কে কুয়াশা(বিভ্রান্তি, ভুলে যাওয়া, মনোযোগের অভাব তৈরি হয়) ও মানসিক ক্লান্তি তৈরি হতে পারে। শাকসবজিতে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি থাকে, যা আপনাকে প্রাকৃতিক শক্তি যোগাতে সহায়তা করবে।

আপনি প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়েন: শাকসবজির ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। আর আপনি যদি শাকসবজি না খান তাহলে প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। ব্রকোলি (এক ধরনের ফুলকপি) এবং মাশরুম আপনার রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে।

আপনি মাল্টিভিটামিনের ওপর নির্ভরশীল: স্বাস্থ্যকর ডায়েটের জন্য মাল্টিভাটামিন বাড়তি সংযোজন। পর্যাপ্ত পুষ্টির জন্য মাল্টিভিটামিন বিকল্প হতে পারে না। সম্পূরক ভিটামিনের চেয়ে ফলমূলের ভিটামিন স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। আপনার আর্থিক সামর্থ্য থাকলে সম্পূরকের পরিবর্তে শাকসবজি খেতে পারেন।

আপনার চর্ম সমস্যা আছে: ব্রণ ও ত্বকের কালচে দাগ থাকা মানে আপনার শরীরে সবুজ শাকসবজির ঘাটতি রয়েছে। শাক, শসা, অ্যাভোকাডো, মিষ্টি আলু, ক্যাপসিকাম ফ্রি রেডিক্যালস ও বিষাক্ত পদার্থের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।