মেইন ম্যেনু

চাঁদের বিষয়ে ভুতুড়ে রহস্য!

হাজার হাজার বছর ধরে উজ্জ্বল ঐ গোলাকার বস্তু নিয়ে আমাদের মাঝে কল্পনার শেষ নেই। পৃথিবী থেকে ২,৩৯,০০০ মাইল দূরে অবস্থান করার পরও এটি আমাদের প্রবলভাবে আকর্ষণ করে।

বিজ্ঞানীরা এর সকল রহস্য উৎঘাটনের জন্য সবসময় নতুন নতুন চেষ্টায় অব্যহত রয়েছেন। এদের মধ্যে যে সকল ভুতুড়ে রহস্য রয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করা যাক-

১. চাঁদে অনেক আবর্জনা আছে:
চাঁদে প্রায় ২০০ টন পরিমাণে ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। ১৯৬৯ সাল থেকে এই পর্যন্ত ১২ টি মহাকাশচারী অভিজানের মাধ্যমে সেখানে পরিত্যক্ত উপগ্রহ, ব্যয় রকেট, ক্যামেরা, ব্যাকপ্যাক এবং গলফ বল ইত্যাদি অতিরিক্ত বিষয়াদি ফেলে আসা হয়েছে। এ সকল আবর্জনা দূর করার জন্য সেখানে নাসা একটি পলিকার্বোনেট ক্যাপস্যুল পাঠিয়েছিলেন।

২. চন্দ্রাহতের জন্য চাঁদ ই দায়ী:
মধ্যযুগে দার্শনিক ও বিজ্ঞানীরা মনে করতেন, পূর্ণিমার কারণে হৃদরোগ, জ্বর ও বাত প্রভাবিত হয়। কারণ চাঁদের সাথে অনেক অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যেত। যার ফলে চাঁদকে অসুস্থ বলে মনা করা হত। যা চন্দ্রাহত নামে পরিচিত ছিল।

৩. চাঁদ আস্তে আস্তে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে:
প্রতি বছর পৃথিবী থেকে সূর্য প্রায় চার সেন্টিমিটার করে দূরে সরে যাচ্ছে। অর্থাৎ ৫০০ মিলিয়ন বছর পর চাঁদ আরও ১৪,৬০০ মাইল দূরে সরে যেতে পারে।

৪. চাঁদে পায়ের ছাপ রয়েছে:
চাঁদে পায়ের ছাপ রয়েছে এ বিষয়টি আমরা অনেকেই শুনেছি। তবে চিন্তার বিষয় হল ৪০ বছর আগে চাঁদে যাবার পরও সেখানে এখনও পায়ের ছাপ কীভাবে আছে? তাহলে কি সত্যিই এলিয়েন রয়েছে? না, সেই চিন্তাও সঠিক নয়। ১৯৬৯ সালে যারা প্রথম চাঁদে পা রেখেছিলেন এটি তাদেরই পায়ের ছাপ। চাঁদে রোদ, বৃষ্টি, পানি, বাতাস ইত্যাদি না থাকার কারণে আজও সে পায়ের ছাপ রয়ে গেছে।

৫. পূর্ণিমা আপনাকে জাগিয়ে রাখতে পারে:
সুইজারল্যান্ডের বাসেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি ছোট গবেষণায় দেখা যায়, পূর্ণিমার রাতে গভীর ঘুম আসে না। অন্যান্য রাতের তুলনায় এই রাতে ঘুমানোর জন্য অন্তত ৫ মিনিট বেশি সময়ের প্রয়োজন হয়। কারণ এইদিন বাতাসে মেলোটনিনের পরিমাণ কম থাকে। পূর্ণিমা পরোক্ষভাবে সন্ধ্যায় হালকা এক্সপোজার বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ শরীরের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।– সূত্র: আরডি।