মেইন ম্যেনু

চাকরি নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত যে ১০ তথ্য গোপন রাখবেন

ধরুন আপনার নতুন একটি চাকরিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এর পরেও কয়েকটি তথ্য রয়েছে যা নতুন কর্মস্থলে গোপন রাখা উচিত। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফোর্বস।

ইন্টারভিউ হলো নিয়োগের পাইপলাইন। এখানে আপনার সব তথ্য নয় বরং বাছাই করে কিছু তথ্য প্রকাশ করতে হবে। আপনি সে চাকরির তুলনায় কম যোগ্যতাসম্পন্ন কিংবা চাকরিতে আপনি যে বেতন পাবেন তার তুলনায় বর্তমানে অনেক কম বেতন পাচ্ছেন, এ ধরনের তথ্য চাকরিতে যোগদানের আগে প্রকাশ করা উচিত নয়। বেফাঁস মন্তব্য কিংবা তথ্য প্রকাশ করলে চাকরি হারানোর সম্ভাবনা থাকে।

আপনার চেয়ে যোগ্য বহু মানুষ থাকতে পারে, যারা একটি পদের জন্য হন্য হয়ে ঘুরছে। এক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার যোগ্যতাবলে চাকরিটি বাগাতে পারেন তাহলে নিশ্চয়ই তা হারাতে চাইবেন না। আর এ বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্যই প্রয়োজন নতুন চাকরিতে যোগদানের আগ পর্যন্ত একটু সতর্ক থাকা।

এ লেখায় তুলে ধরা হলো কয়েকটি তথ্য, যা নতুন চাকরিতে যোগদানের আগে কোনোভাবেই প্রকাশ করা উচিত নয়। যেমন আপনি যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে জানান যে, আপনি গুগল, ফেসবুক কিংবা মাইক্রোসফটে চাকরির জন্য যোগাযোগ করেছেন। তাহলে তারা দ্রুত সে বিষয়টি নোট করে নেবে এবং পরবর্তীতে আপনাকে জিজ্ঞাসা করবে সেসব প্রতিষ্ঠানের চাকরির অগ্রগতি। এক্ষেত্রে বিষয়টি নিজের মধ্যে রাখলেই আপনার সেই জটিলতা থেকে মুক্ত থাকা যাবে।

চাকরি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত যে ১০ বিষয় গোপন রাখতে হবে-

১. আপনি কতজন নিয়োগকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন। কিংবা কার সঙ্গে কথা বলে আপনি চাকরিটি নিশ্চিত করেছেন।

২. সর্বশেষ চাকরিতে আপনার বেতন কত টাকা ছিল।

৩. আপনার আর্থিক অবস্থা কত ভালো কিংবা মন্দ।

৪. আপনার জীবনযাপনের সঙ্গে এ চাকরিটি কতখানি মিলে যায়।

৫. আপনার চাকরি খোঁজার কাজটি কত কঠিন কিংবা কত সহজ ছিল।

৬. চাকরি খোঁজার সময় আপনি অর্থসংকট মেটাতে যে কাজ করতেন।

৭. আপনার চাকরি খোঁজার বিষয়টি কতটা নিষ্ঠার সঙ্গে (কিংবা নিষ্ঠা ছাড়াই) করতে হয়েছে।

৮. চাকরি খোঁজার সময় আপনার সামনে যে সুযোগগুলো এসেছে কিংবা চলে গিয়েছে।

৯. আপনি ইন্টারভিউ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে তুলনামূলকভাবে বেশি আগ্রহী এবং কোথায় কম আগ্রহী।

১০. চাকরিটি আপনার কতখানি প্রয়োজন।