মেইন ম্যেনু

চাচা কর্তৃক ভাতিজিকে ধর্ষন: ৮ মাসের অন্তসত্ত্বা, অতঃপর চাচা-ভাতিজি বিয়ে

বরিশালের উজিরপুরের হারতায় চাচা কর্তৃক ভাতিজিকে একাধিকবার ধর্ষনে ৮ মাসের অন্তসত্ত্বা। এলাকা ছেড়ে পালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি চাচার। অত:পর হারতা ইউপি চেয়ারম্যান হরেন রায়ের মধ্যস্থতা ও পুলিশের উপস্থিতিতে উজিরপুর পৌর এলাকার মাদার্শী কালি মন্দিরে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। ফলে ভাতিজি এখন তার স্ত্রী।

এ ঘটনায় উজিরপুর-হারতা বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দ: হারতা গ্রামের মনোরঞ্জন বিশ্বাসের পুত্র মিলন বিশ্বাস তার আপন চাচাতো ভাই হিরালাল বিশ্বাসের মেয়ে দিপীকা বিশ্বাসকে কৌশলে একাধিকবার ধর্ষন করে। এতে ৮ মাসের অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়ে ভাতিজি দিপীকা বিশ্বাস। এক পর্যায়ে ঘটনাটি এলাকার মানুষের মুখে মুখে প্রচারিত হলে অপবাদের হাত থেকে রক্ষা পেতে দিপীকাকে অন্যত্র নিয়ে পালিয়ে যায় চাচা মিলন বিশ্বাস। এরপর দিপীকার স্বজনরা উজিরপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে এস.আই খাইরুল ইসলাম অভিযান চালিয়ে ২৩ জুলাই সন্ধ্যায় বরিশাল নতুন বাজার এলাকায় মিলনের এক নিকটতম আত্মীয়র বাসা থেকে দিপীকা ও মিলনকে উদ্ধার করে উজিরপুর মডেল থানায় নিয়ে আসে। পরে হারতার ইউপি চেয়ারম্যান হরেন রায়ের মধ্যস্থতায় দুই পরিবারের সদস্যসহ পুলিশের উপস্থিতিতে ওই দিন রাতেই পৌর এলাকার মাদার্শী কালি মন্দিরে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। আর ৮ মাসের গর্ভবতী দিপীকা বিশ্বাস পায় স্ত্রীর মর্যাদা। ধর্ষনে অন্তসত্ত্বা ভাতিজিকে কোন দিন প্রত্যাখান না করার শর্তে ৩শত টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে মুছলেকা দিয়েছেন চাচা মিলন বিশ্বাস ও পরিবার। এ ঘটনায় মূল ভূমিকা পালন করেন ইউপি চেয়ারম্যান হরেন রায়।

এ বিষয়ে হারতার ইউপি চেয়ারম্যান হরেন রায়ের সাথে যোগাযোগ করা হলে, সে ওই বিয়েতে উপস্থিত থাকার কথা স্বীকার করে বলেন একটি ভালো কাজ করেছি।