মেইন ম্যেনু

খাম্বা বানিজ্য_________________________________

চাটখিলে পল্লী বিদ্যুতের লাইন নির্মান কাজে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

এম.এ আয়াত উল্যা, স্টাফ রিপোটার নোয়াখালী : নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউপির উত্তর মোহাম্মদপুর গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের লাইন নির্মান ও নতুন লাইনের নির্মান কাজে ব্যাপক দূর্নীতি, অনিয়ম ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রাহকদের নিকট থেকে নির্ধারিত হারে টাকা আদায়, কর্তৃপক্ষের দেওয়া নকশা অনুযায়ী কাজ না করা এবং মিটারের জন্য টাকা আদায় করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরোজমিনে ঘটনার স্থলে গিয়ে দেখা গেছে উত্তর মোহাম্মদপুর গ্রামে বর্তমানে পল্লী বিদ্যুতের সম্প্রসারণ ও নতুন লাইন নির্মানের কাজ চলছে। এখানে নতুন লাইন নির্মানের জন্য কর্তৃপক্ষ খাম্ভা সহ সকল মলামাল সরবরাহ করলেও গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন, চাটখিল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (উত্তর) এর পরিচালক শামসুল আলম ও ঠিকাদার ঐ এলাকার লোক থেকে প্রতি পিলারের জন্য ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা করে আদায় করে নিয়েছে। যা সহজ সরল এলাকাবাসী একটু বিদ্যুৎ পাওয়ার আশায় দিতে বাধ্য হয়েছে! তাছাড়া নকশা অনুযায়ী কাজ না করে লোক জন থেকে টাকা নিয়ে নকশার বাহিরে পিলার গাড়া হচ্ছে। এতে বিদ্যুতের লাইন বিভিন্ন লোকজনের ঘরের উপর এবং বাগানের ভিতর দিয়ে যাচ্ছে। এতে করে সাধারন লোকজন মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তাছাড়া বিদ্যুতের প্রতিগ্রাহক থেকে মিটার সংযোগের নামে ৭ হাজার ও মিটার লাগানোর জন্য ১ হাজার ৫ শত টাকা করে নেওয়া হচ্ছে বলে বেশ কয়েকজন গ্রাহক জানান। ক্ষোভ প্রকাশ করে নাম প্রকাশে অনিচ্চুক বেশ কয়েকজন গ্রাহক জানান এটাই কি ডিজিটাল সরকারের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়ার অঙ্গীকার। স্থানীয় অনেকে সাংবাদিকদের অনুরোধ করে জানান, “আন্নেরা পত্রিকাত এ্যাগাইন লিখকেন না, লিকলে সামছু ভাই অ্যাঙ্গরে কইছে কারেন্ট দিত ন! আঙ্গো টেয়া গেছে যাক, তারহরেও কারেন্ট আইওক!” চাটখিল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডি.জি.এম মো ঃ হাবিবুর রহমান জানান, বিদ্যুতের লাইন স্থাপনে তাদের করণীয় কিছু নেই। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ করে তাদের কাছে লাইন হস্তান্তর পরে তাদের উপর দায়িত্ব পড়ে। পরিচালক শামসুল আলম তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ কৌশলে অস্বীকার করে বলেন- আমি যেহেতু দায়িত্বে আছি এগুলো দেখভালোর দায়িত্ব আমার। নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার শংকর লাল দত্ত জানান বিষয়টি তিনি শুনেছেন। এখানে কোন অনিয়ম দূর্নীতি হলে তা দেখার জন্য চাটখিলে ডি.জি.এম কে দায়িত্ব দিয়েছেন বলে তিনি জানান।