মেইন ম্যেনু

এসএসসির ফল বিপর্যয়

চাটখিলে হাটপুকুরিয়া হাইস্কুলে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে উত্তেজিত অভিভাবক ও এলাকাবাসী

চাটখিলে হাটপুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে সকালে উত্তেজিত অভিভাবক ও এলাকাবাসী বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে স্কুল এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে।

বিক্ষোভকারীরা এ সময় প্রধান শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সহ সকল সদস্যদের পদত্যাগ দাবী করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলা উদ্দীন লিটন সহ একটি অশুভ সিন্ডিকেট একজন অযোগ্য শিক্ষক আবদুল বারেককে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক অভিভাবক ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়, এতে কয়েকজন ভালো শিক্ষক অভিমান করে অন্য স্কুলে চলে যায়, এসব কারণে ফলাফল বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটে।

ফলাফল বিপর্যয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য শিক্ষা কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্কুল মাঠে অভিভাবকরা এক প্রতিবাদ সভা করে।

সভায় বক্তব্য রাখেন অভিভাবক শাহাজাহান আলম, বদিউল আলম, আলমগীর হোসেন, হাবিবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, সাকিল পাটোয়ারী, মহিন পাটোয়ারী, মনির হোসেন, আবদুল মতিন, শামছুল আমিন, ইউছুফ জাহাঙ্গীর, মিলন প্রমুখ। সভায় বক্তাগন বলেন দীর্ঘদিন থেকে এই বিদ্যালয়ের সভাপতি আলা উদ্দিন লিটন ও সদস্য ফারুক আলীর যোগসাজশে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক হানিফ বিএসসি সহ নানাহ অপকর্ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও কোচিং বানিজ্য করে আসছে এবং পুরাতন ভবনের ইট, টিন ও অন্যান্য সরঞ্জামাধি, মাঠ ভরাটের বরাদ্দের টাকা, আত্মসাত করে।

২০১৪ সালের নির্বাচনী পরীক্ষায় মাত্র ১৫ জন পাশ করলেও ১০/১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ৫০ জনকে ফরম পিলাফ করায়, পরে এদের পাশের নিশ্চয়তা দিয়ে কোচিং বানিজ্য করে লাখ লাখ টাকা প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক হাতিয়ে নেয়। কিন্তু শিক্ষকদের অযোগ্যতার কারণে সূজনশীল পদ্ধতিতে পাঠদান করাতে না পারায় ৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জন পাশ করে।

জানা যায় শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এবং দফতরী পর্যন্ত তাদের সন্তানকে অত্র বিদ্যালয়ে পড়ান না, তাদের সন্তান পাশ্ববর্তী অন্য বিদ্যালয়ে পড়ান। বক্তাগন বলেন আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কিমিটির সভাপতি ও সদস্যরা পদত্যাগ না করলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক আব্দুল বারেক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলা উদ্দীন লিটনের মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তারা বিদ্যালয়ে তালা ঝুলানোর কথা স্বীকার করে, ফল বিপর্যয়ের জন্যে দুঃখ প্রকাশ করেন।