মেইন ম্যেনু

চান বা না চান ৩০ বছর বয়স হলে এগুলো আপনার সঙ্গে ঘটবেই

ভবিষ্যত নিয়ে আমরা কত কিছুই না প্ল্যান করে থাকি। কিন্তু সব সময়ই কি প্ল্যানমাফিক কাজ করতে পারি? পরিস্থিতির সামনে সব সময়ই হার মানতে হয় আমাদের। উল্টে আপনি চান বা না চান ৩০ বছর বয়সে এইগুলো আপনার সঙ্গে ঘটবেই।

হ্যাঙ্গওভার: এই বয়সের একটা অন্যতম সমস্যা যা আপনি কোনও ভাবেই নিজের থেকে আলাদা করতে পারবেন না তা হল হ্যাঙ্গওভার।

নাইটলাইফ: কম বয়সে কি আপনি এ সব একদম পছন্দ করতেন না। তাই তো? আর এখন সেলিব্রেট করার মানেটাই যেন হোল নাইট পার্টি।

ইচ্ছে মতো খাওয়া: খাদ্য প্রিয় বাঙালিদের এই বিষয়টা আর নতুন করে কী বলব? একটা বয়সের পর লাইফ স্টাইলের চেঞ্জ এবং বদ হজমের জন্য ইচ্ছা থাকলেও উপায় কোথায়? রয়ে সয়েই খেতে হয়।

রিঙ্কল আর রিঙ্কল: যদিও বর্তমানে আমরা কম বেশি সকলেই ত্বক নিয়ে ভীষণই সচেতন। তাও রিঙ্কল নিয়ে কিন্তু ততক্ষণ খুব একটা মাথা আমরা কেউই ঘামাইনা। যতক্ষণ না তা আমাদের ত্বকে স্পষ্ট হচ্ছে। ৩০ বছরের পর তা নিয়ে মাথা তো ঘামাতেই হবে আপনাকে।

পাকা চুল: না পাকা চুল যে কম বয়সে কারও মাথায় দেখা না সেটা বললে একেবারেই ভুল বলা হবে। বিশেষ করে এই লাইফ স্টাইল আর দূষণের জমানায় একটা-দু’টো পাকা চুল না থাকাটাই বরং বিস্ময়ের। বেছে বেছে কয়েকটা তুলে নিলেও কেল্লাফতে। তবে ৩০-এর সীমানা পার করলে কিন্তু তার কোনও উপায় থাকবে না।

মোবাইলে বাচ্চার ছবি: অন্যতম লক্ষ্য করার বিষয় কিন্তু এইটা। কখন যে আপনার মোবাইল বাচ্চার ছবিতে ভরে উঠবে তা আপনি নিজেও টের পাবেন না।

বন্ধুদের বৃত্ত ছোট হয়ে আসবে: মোবাইলে হয়তো পরিচিত সব বন্ধুদের নম্বর থেকে যাবে। কিন্তু যোগযোগ থাকবে মাত্র কয়েক জনের সঙ্গে। সেই সব বন্ধুর যাঁরা আসলে আপনার ভাল বন্ধু।

ভাল জায়গায় থাকবেন: আগের মতো আর যেখানে সেখানে থাকতে পারবেন না। বেড়াতে গিয়েও চেষ্টা করবেন নিজের বাজেটের মধ্যে ভাল হোটেলে থাকতে। আর ভাল রেস্তোরাঁ থেকে খাবেন। মোদ্দা কথা স্টাইলে বাঁচবেন।

মনের মানুষকে খুঁজে পাবেন: এটা অনেকেই হয়তো মানবেন না। তবে কথায় বলে এই বয়সে গিয়েই একমাত্র প্রকৃত ভালবাসার মানুষটিকে খুঁজে পাবেন। ভালবাসা আরও পরিণত হবে। সঙ্গে পরিণত হবে আপনার সেক্স লাইফও।