মেইন ম্যেনু

চার জেলায় গ্যাস থাকবে না ৬ দিন

শেরপুরসহ বৃহত্তর ময়মনসিংহের চার জেলার সাত স্থানে আজ বৃহস্পতিবার থেকে ছয় দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। আশুগঞ্জ থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত গ্যাসের সঞ্চালন লাইনে পিগিং (সংস্কার কাজ) করবে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল)। এ জন্য বৃহস্পতিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত এসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না।

এলাকাগুলো হলো টাঙ্গাইলের ঘাটাইল সেনানিবাস ও গোপালপুর উপজেলা, কিশোরগঞ্জ জেলা শহর, জামালপুর জেলা শহর, সরিষাবাড়ি উপজেলা ও তারাকান্দি ইউনিয়ন ও শেরপুর জেলা শহর। বুধবার বিকেলেও এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির শেরপুর সঞ্চালন কেন্দ্রের পক্ষ থেকে শহরে মাইকিং করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ শাহজাহান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আশুগঞ্জ থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত ২৪ ইঞ্চি ব্যাসের ১২৫ কিলোমিটার পাইপলাইনটির পিগিং শেষ হলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাসের পক্ষ থেকে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। জিটিসিএল কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তিতেও জানিয়েছে, এ কার্যক্রম চলাকালে এলেঙ্গা, টাঙ্গাইল, মির্জাপুর ও চন্দ্রা এলাকায় গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে।

এদিকে, টানা ছয় দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার সংবাদে গ্রাহকদের মধ্যে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে কেরোসিনচালিত স্টোভ ও সিলিন্ডার গ্যাসের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে আবার মাটির চুলাও সংগ্রহ করছেন।

শেরপুর শহরের নবীনগর এলাকার গৃহবধূ মুন্নী আক্তার বলেন, গ্যাসে রান্নাবান্না করতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। এখন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার সংবাদে মাথায় যেন বাজপড়ার মতো অবস্থা। কী আর করা, শেষ পর্যন্ত কেরোসিনের চুলার খোঁজ করছি।

শহরের নয়আনী বাজার এলাকার মনোহারী ব্যবসায়ী বিকাশ দত্ত জানান, তার দোকানে সারা বছরে ১০-১৫টি স্টোভ বিক্রি হতো। কিন্তু গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে দু’দিনেই ৫০টির বেশি স্টোভ বিক্রি করেছেন।

তবে কোম্পানি কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যেই স্টোভ বিক্রি করেছেন বলেও জানান তিনি। নয়আনী বাজার এলাকার ক্রোকারিজ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, গত তিন দিনে তার দোকান থেকেও অর্ধ-শতাধিক স্টোভ বিক্রি হয়েছে।