মেইন ম্যেনু

চিংড়িতে কী পাবেন

চিংড়ির প্রতি বিশেষ দুর্বলতা থাকে অনেকেরই। সুস্বাদু সব খাবার প্রস্তুতে চিংড়ির উপস্থিতি যেন রাজকীয়। স্যুপ, নুডুলস, চপ, ভাজি, ভর্তা, ভুনা কোথায় নেই চিংড়ি? স্বাদের সঙ্গে মনকাড়া গন্ধের জন্যও চিংড়ির কদর রয়েছে সর্বত্র। চিংড়িতে পুষ্টিগুণও কম নেই।

প্রতি ১০০ গ্রাম খাবার উপযোগী সেদ্ধ চিংড়িতে পাবেন ৯৯ কিলো ক্যালরি, ফ্যাট ০.৩ গ্রাম, কোলেস্টরল ১৮৯ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ১১১ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ২৫৯ মিলিগ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ০.২ গ্রাম, প্রোটিন ২৪ গ্রামের মধ্যে পাবেন ক্যালসিয়াম, লৌহ আর ম্যাগনেসিয়ামের দারুণ উপস্থিতি।

এসব উপকরণ আপনার দেহের জন্য কতটুকু উপকারী জেনে নেয়া যাক।

– যারা শারীরিক দুর্বলতায় ভোগেন তারা বেশি বেশি চিংড়ি খেতে পারেন। কারণ চিংড়িতে থাকা পর্যাপ্ত পরিমানে ক্যালরি আপনার শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।

– চিংড়ি শরীরের প্রায় ১৭ শতাংশ আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে।

– চিংড়িতে থাকা ফসফরাস হাড়ের ক্ষয় রোধ হওয়ার পাশাপাশি মজবুত করে।

– বিষণ্ণতায় ভোগা ব্যক্তিরা চিংড়ি খেলে উপকার পাবেন। কারণ এতে আছে ৩৪৭ মিলিগ্রাম ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি মস্তিষ্কে সেরেটেনিন উৎপন্ন করে এবং বিষণ্ণতা দূরীকরণে ভূমিকা রাখে।

– ডায়াবেটিসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যও চিংড়ি খেতে পারেন। কারণ চিংড়িতে থাকা ম্যাগনেশিয়াম দেহকে টাইপ-২ ডায়বেটিসের হাত থেকে রক্ষা করে।

– আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদার প্রায় ৪২ শতাংশ চিংড়ি পূরণ করতে সক্ষম। আর শরীরে পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকলে ত্বক, চুল এবং নখ ইত্যাদি থাকে সুরক্ষিত।

তবে কোলেস্টেরলের ভয় থাকলে চিংড়ি এড়িয়ে চলা ভালো। কারণ চিংড়িতে প্রায় ৬৩ শতাংশ কোলেস্টরল থাকে। কারো আবার চিংড়িতে অ্যালার্জির সমস্যা থাকে, তাদের জন্য এড়িয়ে চলায় ভালো।