মেইন ম্যেনু

চিনাবাদাম এর ৬ স্বাস্থ্য উপকারিতা

সবচেয়ে সহজলভ্য এবং সস্তা বাদামটি হল চীনাবাদাম। ছোট বড় সবাই চীনা বাদাম খেতে পছন্দ করে। সাধারণত স্বাদের জন্যই চীনাবাদাম খাওয়া হয়ে থাকে। তবে এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, প্রতিদিন একমুঠো চীনাবাদাম দূর করে দেবে অনেক শারীরিক সমস্যা। নিম্নে দেখে নিন চিনাবাদাম এর ৬ স্বাস্থ্য উপকারিতা-

১। কোলেস্টোরল কমায়
বর্তমান সময়ে কোলেস্টোরল খুব সাধারণ এবং পরিচিত সমস্যা। হৃদরোগের মূলে রয়েছে এই কোলেস্টোরল। চিনাবাদাম ভাল কোলেস্টোরল তৈরি করে এবং খারাপ কোলেস্টোরল দূর করে দিয়ে থাকে। এটি ফ্যাট কলেস্টোরল এবং ট্রাইগ্লিসারয়েড কমিয়ে ফেলে কোনো ধরণের ওজন বাড়ানো ছাড়া।

২। নানাবিধ রোগ নিয়ন্ত্রণ
গবেষণায় দেখা গেছে সপ্তাহে পাঁচবার চিনাবাদাম খাওয়া হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে। এছাড়া পিত্তকোষ সংক্রান্ত ব্যাধি এবং কলেক্টোরাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।

৩। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে
প্রতিদিনাকার খাদ্য তালিকায় চিনাবাদাম রাখুন। এটি ২১% পর্যন্ত ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে থাকে। এটি শর্করা শোষনকে ধীরগতি করে থাকে। সকালের নাস্তায় চিনাবাদাম রাখুন, এটি সারাদিন আপনার ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ রাখবে।

৪। ওজন হ্রাস করতে
চীনাবাদাম উচ্চ তৃপ্তিদায়ক খাবার। এটি আপনার পেট অনেক ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করে। সকালের নাস্তায় চিনাবাদাম অথবা চিনাবাদামের মাখন খান। এটি দীর্ঘ সময় আপনার পেট ভরিয়ে রাখবে কারণ এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ স্থির রাখে, যা ক্ষুধা লাগা প্রতিরোধ করে।

৫। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে
বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়ে থাকে। মস্তিষ্ক তার ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। চিনাবাদামের ভিটামিন বি৩ মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

৬। হতাশা রোধ করতে
সেরোটোনিন নামক উপাদান হতাশা পরিচালনা করে থাকে। চিনাবাদামে থাকা ট্রিপটোফেন উপাদান হতাশা রোধ করে থাকে। নিয়মিত চিনাবাদাম খাওয়ার অভ্যাস করুন অথবা প্রতি সপ্তাহে দুই টেবিল চামচ পিনাট বাটার খান। এটি হতাশা কাটাতে সাহায্য করবে।