মেইন ম্যেনু

চিরচেনা তিলের ৭টি মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া!

তিল রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি রূপচর্চায়ও ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিবিধ পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ তিল স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। চুলের গোঁড়া মজবুত করা থেকে শুরু করে হাড় শক্তিশালী করতে তিলের ভূমিকা রয়েছে। এই তিলেরও রয়েছে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ক্ষতিকর।

১। ওজন বৃদ্ধিতে

আপনি যদি ডায়েট করে থাকেন, তবে তিল খাওয়ার আগে একবার ভেবে নিন। ১০০ গ্রাম তিলে যা এক মুঠোর সমান তাতে ৫৯০ ক্যালরি আছে। যা থেকে আপনি ৮ গ্রাম সম্পৃক্ত চর্বি পেয়ে থাকবেন। যা আপনার প্রাত্যহিক খাবারের ৪০%! প্রতিদিন তিল গ্রহণের ফলে আপনার ওজন অনেক বেড়ে যেতে পারে।

২। কোলন ক্যানসার

নিয়মিত তিল গ্রহণে কোলনে প্রবাহিত করে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন ১৫ ন্যানোগ্রাম তিল খেলে কোলনে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি হয়, যা কোলন ক্যানসার উদ্ভব করে থাকে।

৩। উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেশন

তিলে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম আছে (১১ মিলিগ্রাম সোডিয়াম ১০০ গ্রাম তিলে)। অতিরিক্ত তিল খাওয়ার ফলে রক্তনালীর মধ্যে পানির প্রবাহ বেড়ে যায়। যা রক্তচাপ বৃদ্ধি করে থাকে। হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়া রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের কারণ হতে পারে।

৪। অ্যালার্জির ঝুঁকি

অনেকের বিভিন্ন বাদাম যেমন কাজুবাদাম, চিনাবাদামে অ্যালার্জি থাকে। তারা তিল খাওয়া এড়িয়ে যাবেন। তিল তাদের অ্যালার্জির মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে, যা কারণে চোখ, নাক লাল হওয়া, অ্যাজমা, হজমের সমস্যা হতে পারে।

৫। ডায়রিয়া

গবেষকদের মতে, তিলে প্রচুর পরিমাণে ল্যাকসাটিভ আছে। নিয়মিত গ্রহণে বিশেষত যাদের ফুড অ্যালার্জি আছে তারদের তিলের খাবার গ্রহণ করলে ডায়ারিয়া দেখা দিতে পারে। তাই যাদের ফুড অ্যালার্জি আছে তারা তিলের খাবার খুব বেশি গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকবেন।

৬। স্কিন র‍্যাশ

অতিরিক্ত তিল গ্রহণ ত্বকের জন্য বেশ ক্ষতিকর হতে পারে। আপনি যদি অতিরিক্ত তিল খেলে বা অতিরিক্ত তিলের পণ্য ব্যবহার করলে ত্বকে র‍্যাশ দেখা দিতে পারে।

৭। গর্ভপাত

প্রচলিত আছে গর্ভকালীন প্রথম কয়েক মাসে তিল বা তিল জাতীয় খাবার বেশি খেলে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়ে থাকে। তাই এইসময় তিল বা তিল জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

তিল বা তিল জাতীয় খাবার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও অতিরিক্ত গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে তিল বা তিলের খাবার খাওয়া উচিত।