মেইন ম্যেনু

চিরচেনা রূপে ফিরছে ঢাকা

চির চেনা রূপে ফিরতে শুরু করেছে রাজধানী ঢাকা। গত নয় সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) থেকে মূলত ঈদের ছুটি শুরু হয়। মাঝখানে বৃহস্পতিবার(১৫ সেপ্টেম্বর) একদিন সরকারি অফিস খোলা ছিল। তবে অনেকেই ঐ একদিনের ছুটি নিয়ে টানা নয় দিন ছুটি ভোগ করেন। গত শুক্রবার থেকে মানুষ ঢাকায় আসতে শুরু করে। গতকাল শনিবারও লঞ্চ-ঘাট, বাস-ট্রেন স্টেশনে ঢাকামুখী মানুষের স্রোত লক্ষ্য করা গেছে।

আজ সকাল থেকে অফিস-আদালত পুরোদমে শুরু হয়। মতিঝিল পাড়া ছিল অনেকটাই সরগরম। সচিবালয়েও সরকারি কর্মচারিদের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক। ঈদের ছুটির পর অনেককে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করতে দেখা যায়। তবে সচিবালয়ে দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল না বললেই চলে। রাজধানীর মার্কেটগুলোও খোলা রয়েছে।

কিছু কিছু ফুটপাত চালু হলেও বিশরভাগ দোকানই ছিল বন্ধ। গত কয়েক দিন রাজধানীতে কোনো যানজট না থাকলেও আজ কোথায় কোথায় যানজট দেখা যায়।

রবিবার সকাল থেকেই রাজধানীতে যানবাহনের চাপ ছিল গত কয়েক দিনের তুলনায় বেশি। কোথাও কোথাও যানজটও লাগলেও তা অসহনীয় ছিল না।

রাজধানীর বিভিন্ন টার্মিনালে আজও দেখা গেছে গ্রাম ফেরত মানুষে ভিড়। ঈদের আগে বাড়ি যেতে যেভাবে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে যাত্রীদের সেই একই ভোগান্তি কাটিয়ে রাজধানীতে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ।

কমলাপুরে কথা হয় চট্টগ্রাম থেকে আসা আসাদুজ্জামানের সঙ্গে তিনি বলেন, ‘পথে কোনো দুর্ভোগে পড়তে হয়নি। আমরা বেশ ভালোভাবেই ঢাকায় ফিরতে পেরেছি। এবারের যাত্রায় আমি সন্তুষ্ট।’

মতিঝিলে কথা হয় ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুল বারির সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ঈদের ছুটির পর আবার অফিস শুরু হলো। ঈদের সবার সঙ্গে দেখা সাক্ষাতের পর আবার অফিসে নতুন করে, নতুন উদ্যমে শুরু হলো। ভালোই লাগছে।’

গুলিস্তানে কথা হয় এক দোকানির সঙ্গে। হাবিবুর রহমান নামের এই দোকানি বলেন, ‘দুই দিন ধরে দোকান খুলেছি, কোনো গ্রাহকের দেখা পাইনি। দোকান খোলা আর ঝাপ বন্ধ করা ছাড়া আর কোনো কাজ ছিল না। আজ কিছু মানুষ অন্তত রাস্তায় দেখা যাচ্ছে। আস্তে আস্তে ঢাকা আবার পুরোনো চেহারায় ফিরুক তাই চাই আমরা।’

পুজিঁবাজারও সরগরম হয়ে উঠেছে।নির্ধারিত সময়ে লেনদেন শুরু হয়েছে। ব্রোকারেজ হাউজগুলোতেও শেয়ার ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক।